নবাবগঞ্জে ইছামতি নদী ভাঙনে দিশেহারা ৪ শতাধিক পরিবার

আপডেট : ০২ সেপ্টেম্বর ২০১৬, ০১:৪৭
নবাবগঞ্জে ইছামতি  নদীর করাল স্রোতের ভাঙনে দিশেহারা ৪ শতাধিক পরিবার। এরই মধ্যে গত এক মাসে ৩০ পরিবার বাসস্থান হারিয়েছে। ভাঙনের কবলে পড়েছে নদীর দু’পারের আরো প্রায় সাড়ে ৩’শ পরিবার।
 
এলাকাবাসী জানায়, পার্শ্ববর্তী উপজেলা দোহারের পদ্মা নদীর সঙ্গে একমাত্র সংযোগ এই ইছামতির শাখা নদীর। শাখা নদীটি পদ্মা থেকে জয়পাড়া হয়ে সাহেবখালী দিয়ে সাদাপুরে এসে মূল ইছামতির সঙ্গে মিলিত হয়েছে। চলতি বছর বর্ষা মৌসুমের শুরু থেকে নদীতে প্রচণ্ড স্রোত বইছে। তীব্র স্রোতে ভূমি ক্ষয় হয়ে ভাঙনের সৃষ্টি হয়েছে। গত এক মাসের ভাঙনে উপজেলার সৈয়দপুর, হযরতপুর, সাদাপুর, আলহাদিপুর, সাহেবখালী গ্রামের ৩০ পরিবার বসতভিটা, মসজিদ, মাদ্রাসাসহ ফসলী জমি ভেঙে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। ফলে ক্ষতিগ্রস্ত ৩০ পরিবার এখন খোলা আকাশের নিচে বসবাস করছে। নদীর পানি কমে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ভাঙনের তীব্রতা আরো বাড়ছে। অব্যাহত ভাঙনে ওই এলাকার সাড়ে ৩’শ পরিবার আতঙ্কে রয়েছে।
 
স্থানীয় মহিলা ইউপি সদস্য শিউলী আক্তার মিলি জানান, ভাঙন ঠেকাতে পাঁচ বছর আগে এলাকাবাসীর উদ্যোগে সাহেবখালী এলাকার নদীর মুখে বাঁধ দেওয়া হয়েছিল। দু’বছর আগে তা ভেঙে যায়। এ বছর ভাঙনের তীব্রতা বেশি। সরকারিভাবে ভাঙন প্রতিরোধ ব্যবস্থা জরুরি হয়ে পড়েছে। নবাবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাকিল আহমেদ বলেন, ভাঙন কবলিত এলাকার খোঁজ নিয়ে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা করা হবে।
 
 

ইত্তেফাক/এএন