জিকা ভাইরাসে সতর্ক হতে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর পরামর্শ

আপডেট : ০২ সেপ্টেম্বর ২০১৬, ১৭:৪৯
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেছেন, 'জিকা মশা বাহিত ভাইরাসজনিত রোগ। জিকা ভাইরাস প্রতিরোধে সরকার বিভিন্ন ধরণের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।' 
 
জিকা ভাইরাস বিষয়ে আতংকিত না হয়ে তিনি সবাইকে সতর্ক হওয়ার পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, 'জিকা ভাইরাস নিয়ে চিন্তা করার কিছু নেই। এছাড়া জিকা ভাইরাস ধরা পড়লে ভয়েরও কিছু নেই। আমাদের কাছে ডাক্তার আছে এবং বিভিন্ন এয়ারলাইন্সের কর্মকর্তারা রয়েছেন।'
 
স্বাস্থ্যমন্ত্রী শুক্রবার হযরত শাহজালাল (রহ.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ভিআইপি লাউঞ্জে জিকা ভাইরাস প্রতিরোধে স্ক্যানিং মেশিন পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে এসব কথা বলেন।
 
মোহাম্মদ নাসিম বলেন, 'সিংগাপুরে জিকা ভাইরাস জনিত রোগ ব্যাপক আকারে ইতোমধ্যে ধরা পড়েছে। সেখানে বাংলাদেশের অনেক শ্রমিক কর্মরত ও বহু টুরিস্টও রয়েছেন। গর্ভবতী মায়েরা যেন সেখানে না যায় সেদিকে আমাদেরকে নজর রাখতে হবে।'
 
বিমানবন্দরে যাত্রীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, 'প্রত্যেক যাত্রীকে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে স্ক্যানিং মেশিনে শারীরিক পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছে। যাত্রীরা যেন অবশ্যই সরকারের এই সেবাটি গ্রহণ করেন।'
 
জিকা মশা বাহিত ভাইরাসজনিত রোগ। এ বিষয়ে তিনি মিডিয়াকে আরো বেশি সচেতনতামূলক ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মোহাম্মদ নাসিম বলেন, 'সিংগাপুরে জিকা ভাইরাস ধরা পড়েছে। ১০ জন বাংলাদেশী নাগরিককে এই রোগে আক্রান্ত বলে সনাক্ত করা হয়েছে। সেখানে সবসময় যোগাযোগ রাখা হচ্ছে।'
 
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবুল কালাম আজাদ, রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার পরিচালক অধ্যাপক একেএম সামসুজ্জামান, আইইডিসিআর পরিচালক অধ্যাপক মীর জাদি সেবরিনা ফ্লোরা, বিমানবন্দরের পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ জাকির এসময় উপস্থিত ছিলেন।
 
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, জিকা মশা বাহিত ভাইরাসজনিত রোগ। জিকার লক্ষণসমূহ সাধারণত ২ থেকে ৭ দিন পর্যন্ত স্থায়ী হয় এবং রোগটি নিজে নিজেই ভাল হয়ে যায়।
 
ইত্তেফাক/এসএস