আওয়ামী লীগ উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য ও বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, 'প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কল্যাণে জাতির কলঙ্ক মোচন হয়েছে। তিনি প্রধানমন্ত্রী আছেন বলেই যুদ্ধাপরাধীদের যেমন বিচার হচ্ছে তেমনি বঙ্গবন্ধুর খুনিদের বিচার হয়েছে।'
তিনি বলেন, 'শনিবার রাতে জামায়াত নেতা যুদ্ধাপরাধী মীর কাসেম আলীর ফাঁসির রায় কার্যকর করা হয়েছে। অথচ খালেদা জিয়া এদের হাতে জাতীয় পতাকা তুলে দিয়েছেন। বঙ্গবন্ধুর খুনিদের রাষ্ট্রীয়ভাবে পুনর্বাসিত করেছেন।'
মন্ত্রী রবিবার দুপুরে সদর উপজেলার ইলিশা ইউনিয়নের নদী ভাঙ্গন কবলিত পরিবারের মাঝে নগত অর্থ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন। সদর উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. মোশারেফ হোসেন'র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন নৌ মন্ত্রী মো. শাজাহান খান এমপি।
আন্তর্জাতিক বিশ্বে বাংলাদেশ উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে পরিণত হয়েছে বলে নিজের অভিমত প্রকাশ করে বাণিজ্যমন্ত্রী আরো বলেন, 'সবাই বলে বিস্ময়কর উত্থান বাংলাদেশের। এসব সম্ভব হয়েছে বঙ্গবন্ধু কন্যার অবিচল নেতৃত্বের কারণে। শেখ হাসিনা শুধু বাংলাদেশের নেতা নন, তিনি আন্তর্জাতিক বিশ্বের এক মহান নেতা।'
অনুষ্ঠানে শাজাহান খান বলেন, 'বঙ্গবন্ধু ১৯৭২ সালে নদী রক্ষায় ৭টি ড্রেজার ক্রয় করেছিলেন। পরবর্তীতে কোন সরকার আর ড্রেজার ক্রয় করেনি। শেখ হাসিনার সরকারের সময় ২০০৯-২০১৩ মেয়াদে ১৪টি ড্রেজার ক্রয় করা হয়েছে। আর এবারের চলতি মেয়াদে সরকার ২০টি বড় ড্রেজার ক্রয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।'
উক্ত অনুষ্ঠানে ৫০০ জন ভাঙ্গনকবলিত মানুষের মাঝে ৩ হাজার টাকা করে মোট ১৫ লাখ টাকা বিতরণ করা হয়। জেলা প্রশাসক মো. সেলিমউদ্দিন, জেলা পুলিশ সুপার মো. মোখতার হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. সাইফউদ্দিন সাইফ, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী তোফায়েল হোসেন, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মো. ইউনুছসহ অন্যরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে বাণিজ্যমন্ত্রী সদর উপজেলার বাংলাবাজার এলাকায় মেডিকেল কলেজ নির্মাণের স্থান পরিদর্শন করেন। পরে তোফায়েল ইলিশা ইউনিয়নের বাজার এলাকায় নদী ভাঙ্গন পরিদর্শনে যান।
ইত্তেফাক/এসএস
