জামায়াত ইসলামের ডাকা অর্ধবেলার হরতালে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে সকাল থেকেই ছিল যানজট। রাজধানীর রামপুরা ব্রিজ থেকে শুরু করে গুলশান যাবার পথেও ছিল যানজট। আরো যানজট ছিল খিলগাঁও রেলগেট ও ফকিরাপুলের মত গুরুত্বপূর্ণ স্থানে। মহাখালী ফ্লাইওভারের নিচেও প্রতিটি গাড়িকে সিগনালে অপেক্ষা করতে হয়েছে ২-৩ মিনিট।
সাউথ ইস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের লেকচারার আফিফা পারভিন শান্তা জানান, রামপুরা ব্রিজ থেকে বনানীতে যেতে আজ হরতালের মধ্যেও তীব্র যানজটে পড়তে হয়েছে। তিনি জানান, গুলশান-১ থেকে বনানী কাকলী পর্যন্ত যানজট ছিল। এ ছাড়াও কাকলী মোড়ে এখনও দীর্ঘ সময় সিগনালে আটকে থাকতে হচ্ছে।
এদিকে ক্যাটনমেন্ট এলাকার মাটিকাটা থেকে কাওরান বাজারে আসা মাহাদী হাসান বলেন, হরতালের কারণে আশা করেছিলাম রাস্তা ফাঁকা থাকবে। কিন্তু আজকেও বনানী চেয়ারম্যান বাড়িতে সিগনালে বাইক নিয়ে দাঁড়িয়ে ছিলাম। এ ছাড়াও বিজয় সরণী মোড়ে বাইক নিয়ে প্রায় ১০ মিনিট অপেক্ষা করতে হয়।
শাহিদা নামের আরেক বাস যাত্রী গাজীপুর থেকে জানান, বনানীতে তার ভার্সিটির ক্লাসের জন্য রওনা দিয়ে মাঝ পথ থেকেই ফেরত যেতে হয়েছে। যানজটের কারণে ক্লাসের সময় পার হয়ে গিয়েছে।
বেসরকারি গণমাধ্যম কর্মী সালেহ মোহাম্মদ ইউসুফ ইত্তেফাককে বলেন, মিরপুর-১ থেকে রওনা দিয়ে তেমন যানজট না পেলেও সংসদ ভবনের আগ থেকে শুরু করে খামার বাড়ি পর্যন্ত ছিল তীব্র যানজট। এ সময় অফিস ধরতে বাস থেকে নেমে হেঁটে কাওরান বাজারে আসতে হয়।
এ ছাড়াও মতিঝিল শাপলা চত্বর মোড় ও দৈনিক বাংলা মোড়েও সকাল ৮টা থেকে দুপুর পর্যন্ত ছিল দীর্ঘ সিগনাল।
তবে তুলনামূলক কম যান চলাচল করেছে মোহাম্মদপুর ও শাহবাগ এলাকায়। শাহবাগ থেকে কাওরান বাজার মোড় পর্যন্তও রাস্তা ছিল ফাঁকা।
ইত্তেফাক/আরএ
