নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মেরামত ও উন্নয়ন কাজের এক কোটি ১৬ লাখ ৪৬ হাজার টাকা লুটের অভিযোগে সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা স্বপন কুমার রায় চেীধুরীকে প্রধান করে তিন সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়েছে।
২৭ আগস্ট বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় এ লুটপাটের খবর প্রকাশ হওয়ায় পর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয় এ তদন্ত কমিটি গঠন করে।
এ খবর জানার পর প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মাসুদুল হাসান ও শিক্ষক নেতারা মেরামত কাজ ধামাচাপা দিতে অনেকটা তৎপর হয়ে পড়েছেন। লুটপাটকারীরা মেরামত কাজের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়গুলোর প্রধান শিক্ষকদের ডেকে নিয়ে শতভাগ কাজ হয়েছে মর্মে স্বাক্ষর করিয়ে নিয়েছেন বলে একটি দায়িত্বশীল সূত্রে জানা গেছে।
জানা গেছে, ২০১৫-২১০৬ অর্থবছরে ১৯৭টি বিদ্যালয় ছোট, বড় ও মাঝারি মেরামতের জন্য ৪৯ লাখ ১৪ হাজার টাকা, এবং ২৭টি বিদ্যালয়ের লেট্রিন মেরামতের জন্য বরাদ্দ দেয়া হয় ছয় লাখ ২০ হাজার টাকা। এদিকে ওই অর্থ বছরে ১৫৩টি বিদ্যালয়ে উন্নয়ন কাজের বরাদ্দ দেয়া হয় ৬১ লাখ ২০ হাজার টাকা। কিন্তু কিছু বিদ্যালয়ের নামমাত্র কাজ করে আবার কোনো বিদ্যালয়ের কাজ না করেই এসব টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মাসুদুল হাসান ও শিক্ষক নেতারা।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মাসুদুল হাসানের কাছে জানতে চাইলে তিনি রাগান্বিত হয়ে বলেন, ‘আমি কি আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষর নিয়েছি। আপনি কি আামার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ যে আপনাকে বলতে হবে।’
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা দিলীপ কুমার রায় জানান, তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
ইত্তেফাক/এএসএমইউ
