পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে লঞ্চের বিশেষ সার্ভিস আজ বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হচ্ছে। এবার ঢাকা-বরিশাল-চাঁদপুর-ঝালকাঠি-হুলারহাট ও মোড়েলগঞ্জ রুটে ৭টি স্পেশাল লঞ্চের মাধ্যমে এ সার্ভিস দেবে বিআইডব্লিউটিসি।
বুধবার দুপুরে বিআইডব্লিউটিসির চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি ইত্তেফাককে বলেন, এবার ৭টি লঞ্চ স্পেশাল সার্ভিসে যুক্ত থাকবে। এগুলো হলো: এমভি বাঙালি, এমভি মধুমতি, পিএস মাহসুদ, অস্ট্রিচ, লেপচা, টার্ন ও এমভি সোনারগাঁ।
বিআইডব্লিউটিএ’র নৌ-নিরাপত্তা ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা বিভাগের যুগ্ম পরিচালক জয়নাল আবেদিন বলেন, ঈদের পরে ৬ দিন পর্যন্ত স্পেশাল সার্ভিস দেওয়া হবে। ঈদে ঘরমুখো মানুষের যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। নৌবন্দরে নৌপুলিশ, কোস্টগার্ড, মেডিক্যাল টিম, ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল সার্বক্ষণিক নিয়োজিত থাকবে।
তিনি আরো বলেন, গত ঈদ থেকে নৌপথে যাত্রীদের জন্য প্রি-টিকিটিং সার্ভিস চালু করা হয়েছে। টিকিট ছাড়া কোনো যাত্রীকে লঞ্চে উঠতে দেওয়া হবে না। লঞ্চের মালিকরা নিজেদের সুবিধা অনুযায়ী ঈদের অগ্রিম টিকিট বিক্রি করছেন। যতক্ষণ টিকিট থাকবে ততক্ষণ বিক্রি করা হবে।
সূত্র জানায়, নৌপথে ঘরে ফেরা দক্ষিণাঞ্চলের যাত্রীদের জন্য বিভিন্ন লঞ্চের অগ্রিম টিকিট বিক্রি গত ১ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে অধিকাংশ লঞ্চের কেবিনের টিকিট বিক্রি হয়ে গেছে। তবে কয়েকটি লঞ্চের টিকিট এখনো পাওয়া যাচ্ছে।
গতকাল বুধবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সদরঘাটে ঘরমুখো মানুষের চাপ চোখে পড়েছে। তবে লঞ্চগুলোতে ঈদের অগ্রিম টিকিট বিক্রি করতে দেখা গেছে। পারাবত-৯ লঞ্চের টিকিট নিতে এসেছেন লতিফ নামের এক যাত্রী। তিনি জানালেন, ‘পরিবারের সবার সঙ্গে ঈদ করতে সন্তানদের নিয়ে গ্রামে যাবেন। আগেই টিকিট বুকিং দিয়ে রেখেছিলেন, আজ (বুধবার) তা সংগ্রহ করতে এসেছেন।’
ঢাকা-ঝালকাঠি রুটে চলাচলকারী সুন্দরবন-২ লঞ্চের ?টিকিট কাউন্টারের কর্মী নোমান বলেন, তারা বেশ আগে টিকিট বিক্রি শুরু করেছেন। যারা আগে থেকেই বুকিং দিয়ে রেখেছেন তারা এখন টিকিট সংগ্রহ করছেন। ঢাকা-বরিশাল রুটে চলাচলকারী ফারহান-৮ এবং পারাবত-৯ লঞ্চে খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, অগ্রিম টিকিট বিক্রি করছেন তারা। তবে অধিকাংশ টিকিটই বিক্রি হয়ে গেছে।
