ঈদের ৭ম দিন রাত ৮টা ৪৫ মিনিটে দেশ টিভিতে প্রচার হবে ঈদ বিশেষ নাটক ‘অটোবায়োগ্রাফি’। নাটকটিতে অভিনয় করেছেন আশিষ খন্দকার, অপর্ণা, ওবিদ রেহান প্রমুখ।
নাটকটির গল্পে দেখা যাবে, জিসান অনিন্দ্য বিশ্ব বিখ্যাত চিত্রকর দেশে ফিরে ঘোষণা করেন তিনি আর ছবি আঁকবেন না। কেন, কি অভিমানে, কে জানে? এরমধ্যে আবার খেয়াল চাপে অটোবায়োগ্রাফি লিখবেন। কিন্তু লেখার অভ্যেস তো মোটেই নেই। তাই পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দিলেন, শর্ত হলো—লেখক হবেন টিনএজার কোনো নারী এবং তার ছবি আঁকা জানতে হবে। নিত্রাকে পেয়ে যান রাইটার হিসেবে। নিত্রা অসাধারণ ছবিও আঁকেন। একটি অদ্ভুত ডিড হয় নিত্রার সাথে। তাতে লেখা-‘হাতের তুলি জনম দুঃখী তাকে বেঁচবো না।’ নিত্রা হেসে বলেন, ‘মানে কি?’ জিসান বলেন, ‘লোভের বশে নিজেকে, আর্টকে বেঁচা যাবে না। রাজি তো?’ নিত্রা হেসে সিগনেচার করেন।
এরপর শুরু হয় দু’জনের পথচলা। কিসের অটোবায়োগ্রাফি লেখা, নিত্রা সারাদিন ছবি আঁকেন জিসান দেখে, কারেকশন করেন, ঘুরে বেড়ান, কথাবার্তা বলেন। এসবের মধ্য দিয়ে দু’জনের রিলেশন যথেষ্ট ফ্রেন্ডলি হয়ে ওঠে। নৈঋত একটি আর্ট গ্যালারির মালিক। তিনি নিত্রার প্রদর্শনী করেন। চতুর্দিকে প্রশংসা, সব ছবি বিক্রি হয়ে যায়, প্রচুর টাকা নিত্রার হাতে, নিত্রা খুশি। এরমধ্যে নিত্রা জিসানকে ভালোবাসার কথা জানালে জিসান বলেন, ‘আমরা ভালো বন্ধু, এর বেশি কিছু না। নৈঋতও নিত্রাকে প্রপোজ করেন, নিত্রা ইগনোর করেন।
কিন্তু নৈঋতের সহযোগিতায় নিত্র আন্তর্জাতিক ক্রেতা পেতে থাকে। নিত্রার সফলতা জিসানকে বিমোহিত করে। নিত্রা আবারও জিসানকে ভালোবাসার কথা বললে জিসান জানায় আরো সময় দরকার। এবার নিত্রা রাগ করে চলে যায়, কিন্তু তারপর আর ছবি আঁকতে পারেন না। অথচ ইন্টারন্যাশনাল ডিলিংসগুলোতে অনেক টাকা নেওয়া হয়ে গেছে। সব টাকা ফেরত চান তারা। নিত্রা শূন্য হয়ে যান।
এবার তিনি চলে যান জিসানের বাসায়। জিসান নেমে আসেন, হাতে সেই ডিড। তাতে লেখা, ‘হাতের তুলি জনম দুঃখী তাকে বেঁচবো না, বেঁচলে আমার ছবি আঁকার আঙুলগুলো আপনি কেটে নেবেন।’ জিসান হঠাত্ একটি ধারালো চাকু বের করেন, নিত্রা কেঁদে ওঠেন, পেছনে নৈঋত এসে দাঁড়ান, নিত্রা অবাক!
