দেশের উচ্চ আদালতের রায়ে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানকে অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলকারী এবং সেনাবাহিনীর শৃঙ্খলা ভঙ্গাকারী উল্লেখ করার প্রেক্ষিতে আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, জিয়াউর রহমান যে শুধু অবৈধভাবে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা দখলকারী ছিলেন তা নয় তিনি ৭১ সালে মুক্তিযোদ্ধার ছদ্মাবরণে পাকিস্তানি গুপ্তচর ছিলেন। তাই আমি মনে করি শুধু স্বাধীনতা প্রত্যাহার নয় মুক্তিযুদ্ধে গুপ্তচরবৃত্তি এবং অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলের দায়ে জিয়াউর রহমানের বিচার হওয়া প্রয়োজন।
শুক্রবার সকালে রাজধানীতে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারস ইনস্টিটিউটে বঙ্গবন্ধু একাডেমী আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে হাছান মাহমুদ এ মন্তব্য করেন।
জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতা পদক প্রত্যাহার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জাতির জীবনে অত্যন্ত ন্যক্কারজনক কাজটি হয়েছিল ২০০৩ সালে তৎকালীন বিএনপি সরকার বঙ্গবন্ধুর সাথে জিয়াউর রহমানকে স্বাধীনতা পদক দিয়ে।কারণ বঙ্গবন্ধু মানেই স্বাধীনতা আর স্বাধীনতা মানেই বঙ্গবন্ধু। বাঙালিদের স্বাধীনতা নামক শব্দটির সাথে, স্বাধীনতার মূলমন্ত্রে উদ্দীপ্ত করেছিলেন বঙ্গবন্ধু। অপরদিকে জিয়া ছিলেন পাকিস্তানি গুপ্তচর। তাই আমি মনে করি জাতির ইতিহাসকে কলঙ্কমুক্ত করার স্বার্থে পাকিস্তানের গুপ্তচর এবং অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলকারী জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতা পদকটি প্রত্যাহার অত্যন্ত সময়োপযোগী একটি সিদ্ধান্ত হয়েছে।
হাছান মাহমুদ বলেন, বিএনপি নাকি বিক্ষোভ মিছিলের কর্মসূচি দিয়েছে।বিএনপির বিক্ষোভ মানে হয়তো ঢাকায় গুটিকয়েক মানুষকে দেখা যাবে তাদের কার্যালয়ের সামনে আর সারাদেশে বিএনপির টিকিটাও খুঁজে পাওয়া যাবে না। কারণ বিএনপি নেতাদের আহ্বানে এখন দলের কর্মীরা সাড়া দেয় না।
বিএনপি চেয়ারপারসনের উদ্দেশে হাছান মাহমুদ আরো বলেন, আশা করবো আপনি এবারের হজে মহান আল্লাহ্তা’লার কাছে রাজনীতির নামে পেট্রোল বোমায় মানুষ হত্যার জন্য ক্ষমা চাইবেন, তওবা করবেন এবং দেশে এসে জনগণের কাছেও ক্ষমা চাইবেন।
চিত্ত রঞ্জন দাসের সভাপতিত্বে অন্যান্যদের মধ্যে আরো বক্তব্য রাখেন হারুন চৌধুরী, এমএ করিম, শাহাদাত হোসেন প্রমুখ।
ইত্তেফাক/এমআই
