আসছে স্বজনরা ভারী হচ্ছে পরিবেশ

আপডেট : ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৬, ২০:৩৬
নিহত, আহত ও নিখোঁদের স্বজনদের আহাজারি আর আর্তনাদে ক্রমেই ভারি হয়ে উঠেছে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল। তাদের বুক ফাটা কান্নায় সেখানে তৈরি হচ্ছে হৃদয়বিদারক পরিবেশ।
 
কারখানার কর্মী মাসুদ আলম (৩৭) টঙ্গীর ট্যাম্পাকোর ওই কারখানায় কাজ করতেন আড়াই বছর ধরে। শনিবার ভোরে কারখানাতেই ছিলেন তিনি। দুর্ঘটনার পর থেকে তার খোঁজ পাচ্ছেন না বলে জানান ভাগ্নি নার্গিস সুলতানা। ঢাকা মেডিক্যালের সামনে আহাজারি করছিলেন তিনি।
 
নিখোঁজ রাশেদের বোন ফারজানা কান্না জড়িত কণ্ঠে জানান, তার ভাই রাশেদ ভোর রাতে রিকশা নিয়ে বাসা থেকে বেরিয়ে যায় তার পর থেকে তাকে আর খুজেঁ পাওয়া যায়নি। টঙ্গী বিসিক এলাকায় অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে তিনি সেখানে ছুটে যান। সেখানে গিয়ে রাশেদের বন্ধু খালেকের কাছে জানতে পারে রাশেদ রিকশা নিয়ে ওই পথ দিয়ে যাওয়ার সময় বয়লার বিস্ফোরণে গুরুতর আহত হন। এরপর তাকে আর খুজেঁ পাওয়া যায়নি।
 
অন্যদিকে নিহত আল মামুনের স্ত্রী জানায়, তার স্বামী রাতের ডিউটি শেষে কারখানা থেকে বেতন তুলে সপরিবারে আজ গ্রামের বাড়িতে ঈদ পালন করতে যাওয়ার কথা ছিল। এখন স্বামীর লাশ নিয়ে বাড়ি ফিরতে হবে। তিনি জানান, ঈদে বাড়িতে যাবেন তাই সবার জন্য কেনাকাটা করেছেন। আর এখন সে কোথায় চলে গেলো!