সুন্দরবনে পুলিশের সঙ্গে 'বন্দুকযুদ্ধে' বনদস্যু রবিউল বাহিনীর প্রধান মো. রবিউল ইসলাম গাজী (২৪) নিহত হয়েছেন। রবিবার ভোরে কয়রা উপজেলার সুন্দরবনের কেয়াখালী খালের পূর্ব পাড়ে এ বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে একটি টু টু বোর রাইফেল, রাইফেলের ৫ রাউন্ড গুলি, বন্দুকের তিন রাউন্ড গুলি, একটি রামদা, ১টি ছুরি, ৪টি হরিণের চামড়া এবং ২টি হরিণের শিং উদ্ধার করেছে। নিহত রবিউল কয়রা উপজেলার মহারাজপুর গ্রামের রূহুল আমীন গাজীর ছেলে। তার বিরুদ্ধে ৮টি মামলা রয়েছে।
কয়রা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ শমসের আলী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, শনিবার রাত সাড়ে ৭টার দিকে ৪ নম্বর কয়রাস্থ শাকবাড়িয়া নদীর লঞ্চঘাট থেকে বনদস্যু রবিউলকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তার সঙ্গে থাকা আরও দু’ দস্যু পালিয়ে যায়। তারা ওই সময় লঞ্চে ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছিল বলে ধারণা করছেন তিনি।
তিনি জানান, গ্রেফতারের পর সুন্দরবনের গহীনে অস্ত্র লুকানোর কথা স্বীকার করলে তাকে নিয়ে রাতেই সুন্দরবনের উদ্দেশে রওনা করা হয়। পথিমধ্যে স্থানীয় সোনামুখী নদীর পাশে কেয়াখালী খালে গেলে তাদের সহযোগিরা পুলিশের ওপর হামলা চালায়। এ সময় পুলিশও পাল্টা গুলি ছুড়লে রবিউল ইসলাম ক্রস ফায়ারে পড়ে মারা যায়। তার বিরুদ্ধে কয়রা থানায় অস্ত্র আইনে ৩টি, ডাকাতি ৪টি এবং বন আইনে ১টিসহ মোট ৮টি মামলা রয়েছে। নিহতের লাশ ময়না তদন্তের জন্য খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। রবিউল বাহিনীর ৮/১০জন সদস্যের কাছে আরও প্রায় ৩০টি অস্ত্র রয়েছে বলেও জানান তিনি।
