বাংলাদেশ সফর নিয়ে শঙ্কায় ছিল ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডের। সেই শঙ্কা কেটে গেছে। তবে দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে সেটা পুরোপুরি কাটেনি। সীমিত ওভারের অধিনায়ক ইয়ান মরগান যেমন আসতেই রাজি হলেন না। তার পরিবর্তে অধিনায়ক করা হলো বাটলারকে।
তবে বাংলাদেশ সফরে আসতে রাজি অ্যালেক্স হেলস ও মঈন আলী। তাদের সঙ্গে যোগ দিলেন স্টুয়ার্ট ব্রড। টাইগারদের বিপক্ষে খেলতে চান তিনিও। চোটের কারণে কিছুদিন বোলিংয়ের বাইরে তিনি। তবে বোলিংয়ে শিগগিরই ফিরবেন বলে জানিয়েছেন ব্রড। বাংলাদেশ সফর নিয়ে ইংল্যান্ডের ডেইলি মেইল পত্রিকায় ব্রড লিখেছেন, ‘বাংলাদেশে সফর করবো কিনা এটি সত্যি একটি কঠিন সিদ্ধান্ত। কিন্তু আমি বিশ্বাস করি যে এটিই সঠিক ও আমি ইসিবিকে বলে দিয়েছি যে আমি যেতে প্রস্তুত। জুলাইয়ে ঢাকায় সন্ত্রাসী আক্রমণের পর থেকেই একটা দুশ্চিন্তা ঘুরপাক খাচ্ছিল আমাদের মনে। আমরা কেউই আসলে সিদ্ধান্তটা সহজে নিতে পারিনি।’ ব্রড আরো লেখেন, ‘নিরাপত্তা এজেন্ডা হয়ে উঠলে সিদ্ধান্ত নেওয়া খুব কঠিন। আমাদের কয়েকজনের এ ধরনের পরিস্থিতিতে পড়ার অভিজ্ঞতা আছে। ২০০৮ সালে মুম্বাইয়ে আক্রমণের কয়েক দিন পরই আমরা ভারতে সফরে গিয়েছিলাম।’
মঈন আলীর মতো ব্রডও মনে করেন, বিশ্বের এমন কোনো প্রান্ত নাই, যেখানে ঝুঁকি নেই। সুতরাং বাংলাদেশকে আলাভাবে দেখার মানে নেই।বাংলাদেশের প্রতি এক ধরনের সহমর্মিতা অনুভব করেন ব্রড। লাহোরে শ্রীলঙ্কার ক্রিকেট দলের বাসে সন্ত্রাসী আক্রমণের পর পাকিস্তানের মাটিতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট বন্ধ। ব্রড চান না বাংলাদেশও এমন পরিস্থিতির শিকার হোক, ‘এটা খুব দুঃখজনক যে নিরাপত্তাজনিত কারণে পাকিস্তান তাদের দেশে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট আয়োজনের সুযোগ পাচ্ছে না। বাংলাদেশও এমন পরিস্থিতির শিকার হলে তা হবে ভীষণ দুঃখজনক। ক্রিকেটকে ঘিরে বাংলাদেশের বিশাল আবেগ। তাদের সমর্থকরা সব সময়ই খুব অতিথিপরায়ণ। সফরটা যে হতে যাচ্ছে সেজন্য আমি তৃপ্ত।’ ওয়েবসাইট।
ইত্তেফাক/এসএসএ
