মতিঝিলে যুবলীগ নেতা খুনের নেপথ্যে আধিপত্য বিস্তার

আপডেট : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৬, ১৫:১৪
মতিঝিল এলাকায় আধিপত্য বিস্তার করাকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের বিরোধের জেরেই যুবলীগ নেতা রিজভী হাসান বাবুকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। একই সাথে কারা এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে সে ব্যাপারেও পুলিশ নিশ্চিত হয়েছে। তবে গতকাল শনিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে কাউকেই আটক করতে পারেনি পুলিশ। অপরদিকে এ হামলার ঘটনায় গুলিবিদ্ধ যুবলীগ কর্মী আহসানুল হক ইমন বর্তমানে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি আছেন। ইমনের ডান উরু ও পাঁজরের গুলি অপারেশন করে বের করা হয়েছে। তার মাথায় জখমের চিহ্ন রয়েছে। চিকিত্সকরা জানিয়েছে তার অবস্থায়ও আশঙ্কামুক্ত নয়।
 
মতিঝিল থানার পরিদর্শক গোলাম রব্বানী ইত্তেফাককে জানান, গত শুক্রবার রাত ১১টার দিকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় বাবু ও ইমনকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বাবুর অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে বেসরকারি একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হলে রাত দুইটার দিকে সে মারা যায়। তিনি আরো জানান, এলাকায় আধিপত্য বিস্তার করাকে কেন্দ্র করে এ সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ জড়িতদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। তবে এ ব্যাপারে থানায় গতকাল বিকাল পর্যন্ত কোনো মামলা দায়ের হয়নি। বাবুর নিকট আত্মীয় রায়হান জানান, বাবু ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ১০ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী ছিলেন। এ নিয়ে প্রতিপক্ষের সঙ্গে তার বিরোধ সৃষ্টি হয়। পরিবারের লোকজন ধারণা করছে রাজনৈতিক দলীয় কোন্দলের কারণেই তাকে হত্যা করা হয়েছে। তবে কারা এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে সে ব্যাপারে তারা কিছুই ধারণা করতে পারছে না বলে তিনি জানান।
 
 

ইত্তেফাক/এএন