দেশের কারাগারগুলোর ধারণ ক্ষমতা হচ্ছে ৩৫ হাজার। কিন্তু কারাগারগুলোতে ৯০ হাজারেরও বেশি আসামি রয়েছে। এরমধ্যে অর্ধেকই মাদক মামলার আসামি। রবিবার বিকেল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, মাদকের সরবরাহ বন্ধ করতে আমরা বিজিবি ও কোস্ট গার্ডকে শক্তিশালী করেছি। যারা মাদক ব্যবসা করে, তাদের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালত ও নানা ব্যবস্থা নিচ্ছি। আমরা মাদক আইন সংশোধন করেছি, মাদক আইনের সর্বোচ্চ শাস্তির ব্যবস্থা করেছি।
মাদক ব্যবসায়ীদের উদ্দেশ্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আপনারা মাদক ব্যবসা ছেড়ে দেন, আত্মসমর্পণ করেন, না হলে পুলিশ বাহিনী আপনাকে খুঁজে বের করবে।
আরো পড়ুন: ফের মা হচ্ছেন ঐশ্বরিয়া? জল্পনায় গরম নেট দুনিয়া
তিনি আরও বলেন, মাদক না ছাড়লে পরিণতি কি ভয়াবহ হবে, তা আল্লাহ মাবুদই জানেন। দেশকে বাঁচানোর জন্য, মেধা ও নতুন প্রজন্মকে বাঁচানোর জন্য এবং মাদক নিয়ন্ত্রণে সরকার জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেছে।
গাইবান্ধার নাপিতেরহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় চত্বরে এক সমাবেশে মন্ত্রী বলেন, যারা মাদকের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট যারা আত্মসমর্পণ করবে, সরকার থেকে তাদের আইনি সহায়তা দেওয়া হবে।
সমাবেশে ফুলছড়ি উপজেলার ৭৪ জন মাদক ব্যবসায়ী ও সেবনকারী আত্মসমর্পণ করেন। এর মধ্যে ২৫ জন মাদক ব্যবসায়ী। তারা মাদক ব্যবসা ছেড়ে অন্য ব্যবসা করার ঘোষণা দেন।
ইত্তেফাক/জেডএইচ
