রাজবাড়ী জেলার ৪টি উপজেলায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে ভোট গ্রহণ শুরু এবং শেষ হয়েছে। তবে ভোট কেন্দ্রগুলোতে ছিলো না তেমন ভোটারের উপস্থিতি। রবিবার সকাল ৮টা থেকে রাজবাড়ী সদর, বালিয়াকান্দি, পাংশা ও গোয়ালন্দ উপজেলার ২৬৬টি ভোট কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ শুরু হয়।
সকাল ৮টা থেকে শুরু হওয়া রাজবাড়ী সদর উপজেলার পাঁচুরিয়া ইউনিয়নের ভান্ডারিয়া সিদ্দিকিয়া কামিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত ভোটকেন্দ্রে তিন হাজার উনিশ জন ভোটারের মধ্যে সাড়ে ৩ ঘন্টায় ভোট পড়ে ২৭০টি। এ তথ্য জানান ওই কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার মো. শাহিনুজ্জামান।
সদরের খানখানাপুর ইউনিয়নের চর চাদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে বিকাল সোয়া ৩টা নাগাদ তিন হাজার নব্বই ভোটারের মধ্যে ৬শত ভোট পড়েছে। কর্তব্যরত প্রিজাইডিং কর্মকর্তা মো. জিল্লুল রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এছাড়া সদরের শহীদ ওহাবপুর ইউনিয়নের আহলাদীপুর দাখিল মাদ্রাসা, গৌরীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও বড়নূর পুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রগুলোতে বেলা ১১টা পর্যন্ত ভোটারদের ভোট কেন্দ্রে তেমন দেখা যায়নি।
.jpg)
অপর দিকে গোয়ালন্দ উপজেলার হাউলি কেউটিল ও কেউটিল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের প্রিজাইডিং কর্মকর্তা মো. হাবিবুর রহমান ও বিএম নজরুল হুদা জানান, উপজেলার ভোটের শুরুতেই ভোটার উপস্থিতি কম ছিলো। তবে বেলা বৃদ্ধির সঙ্গে ভোটারের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। বেলা সাড়ে ১২টা পর্যন্ত তিন হাজার সাইত্রিশ ভোটের মধ্যে সাড়ে ছয় শত ভোট ও এক হাজার পাঁচশ পঁচিশ ভোটের মধ্যে সাড়ে চারশ ভোট গ্রহণ হয়।
গোয়ালন্দ নাজির উদ্দিন পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে দুপুর ২টা নাগাদ তিন হাজার একাশি ভোটের মধ্যে ১ হাজার ভোট গ্রহণ হয়েছে বলে জানান প্রিজাইডিং কর্মকর্তা ডা. মো. মিজানুর রহমান। ভোট কেন্দ্রেগুলো সরেজমিন পরিদর্শনকালে গোয়ালন্দের একাধিক কেন্দ্রে ভোটাদের উপস্থিত লক্ষ্য করা যায়।
নির্বাচনী এলাকাস্থ ভোটকেন্দ্র ও সার্বিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় তেরশ পুলিশ সদস্য, ৯ প্লাটুন বিজিবি সদস্য ও ২৩ জন নির্বাহী ম্যজিস্ট্রেটসহ আনছার, র্যাব এবং বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করেছে।
রাজবাড়ী পুলিশ সুপার আসমা সিদ্দিকা মিলি (পিপিএম) জানান, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহনের পরিবেশ সৃষ্টি করা হয়েছে। ভোটারদের শান্তিপূর্ণভাবে ভোটকেন্দ্রে আসা-যাওয়াসহ নির্বাচন পরবর্তী কোন সমস্যা যাতে না হয় সে ব্যাপারে পুলিশ কাজ করেছে।
তিনি আরো বলেন, উপজেলা পরিষদ নির্বাচন নিয়ে কোন প্রার্থী বা তাদের সমর্থকেরা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে চাইলে তাদের কঠোর হাতে দমন করার প্রস্তুতি ছিলো।
আরও পড়ুনঃ উপজেলা পরিষদ নির্বাচন: কলারোয়ায় মুক্তিযোদ্ধাসহ আহত ৩
জেলার ৫টি উপজেলার মধ্যে কালুখালী উপজেলা ব্যতীত ৪টি উপজেলাতে চেয়ারম্যান পদে ৯জন, পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যান পদে ১৫ জন এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৮ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
ইত্তেফাক/নূহু
