আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন চারবারের আফ্রিকান বর্ষসেরা ফুটবলার ইয়াইয়া টোরে। ৩৩ বছর বয়সী ম্যানচেস্টার সিটির এই মিডফিল্ডার তিনটি বিশ্বকাপসহ আইভরি কোস্টের হয়ে ১১৩টি আন্তর্জাতিক ম্যাচে অংশ নিয়েছেন।
তবে নিজের বিদায় বেলায় এই সিদ্ধান্তকে দারুণ কঠিন হিসেবেই মন্তব্য করেছেন টোরে। ম্যানচেস্টার সিটিতেও সময়টা ভাল যাচ্ছিল না। তাইতো অত্যন্ত আবেগের সাথে টোরে লিখেছেন, সম্ভবত জীবনের সবচেয়ে কঠিন ম্যাচটাই খেলে ফেলেছি। সর্বোচ্চ পর্যায়ে ১৪ বছরের ক্যারিয়ার শেষে আমি নিশ্চিত বিদায় বলার এটাই সঠিক সময়। বাস্তবতা হচ্ছে আমার বয়স এখন ৩৩। অনুশীলনের কঠোরতা কিংবা গেমসের ভিন্ন ভিন্ন কৌশল রপ্ত করার অভাব এখানে নিয়ামক হিসেবে কাজ করেনি।
আইভরি কোস্টের স্বর্ণালী যুগের একজন খেলোয়াড় হিসেবে টোরে নিজেকে ভাগ্যবান মনে করতেই পারেন। সতীর্থ হিসেবে দিদিয়ের দ্রগবা, ভাই কোলো টোরে কিংবা গারভিনহোকে পাওয়া কম সৌভাগ্যের নয়। অবসরের সময় ঘোষণাও দিয়ে গেলেন বার্সেলোনার হয়ে ২০০৯ সালে চ্যাম্পিয়নস লীগ, ২০১৫ সালে আফ্রিকান নেশন্স কাপ শিরোপা এসবই তার গৌরবান্বিত অর্জন।
২০০৪ সালে আইভরি কোস্টের হয়ে আন্তর্জাতিক অভিষেক হয়েছিল টোরের। ২০১৪ সালে বিশ্বকাপে দ্রগবার অবসরের সুবাদে ‘এলিফেন্টস’দের অধিনায়কত্ব করার সুযোগ পেয়েছিলেন। তবে দুটি আফ্রিকান নেশন্স কাপের ফাইনালে হারের তিক্ত স্বাদ এখনো ভুলতে পারেননি। টোরে বলেন, ফুটবল থেকে বিদায়ের সিদ্ধান্ত একান্তই আমার ব্যক্তিগত। ক্লাব, জাতীয়, আন্তর্জাতিক, লীগ মিলিয়ে আমি বেশ কয়েকটি শিরোপা পেয়েছি। বেলজিয়াম, ইউক্রেন, গ্রিস, ফ্রান্স ও স্পেনে খেলার অভিজ্ঞতা হয়েছে। তবে সবকিছুর ঊর্ধ্বে জাতীয় দল, এখানে আমি দেশের হয়ে জিততে শিখেছি। আইভরি কোস্টের হয়ে চারটি আফ্রিকান গোল্ডেন বলই আমার ক্যারিয়ারের সেরা অর্জন।
ইত্তেফাক/এমএইচ
