ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের জোন ভিত্তিক সবচেয়ে বড় এলাকা রামপুরা ট্রাফিক জোন। এক বছর আগে ট্রাফিক বিভাগের ২২ তম জোন হিসাবে যাত্রা শুরু হয়। হাতিরঝিল, রামপুরা ব্রিজ থেকে মালিবাগ আবুল হোটেল হয়ে যাত্রাবাড়ী কোনাপাড়া পর্যন্ত ও বনশ্রী থেকে আমুলিয়া মডেল টাউন হয়ে ডেমরা স্টাফ কোয়ার্টার পর্যন্ত রামপুরা ট্রাফিক জোনের বিস্তৃত।
শুক্রবার ছিল এই জোনের প্রতিষ্ঠার একবছর পূর্তি। ডিএমপি’র ট্রাফিক বিভাগ এক বছর কাজ করে এলাকার যানজট নিরসন করতে সক্ষম হয়েছে বলে দাবি করেছেন এই জোনের পুলিশ কর্মকর্তারা।
রামপুরা ট্রাফিক জোনের সহকারী কমিশনার জাহাঙ্গীর আলম বলেন, সময়োপযোগী কৌশল অবলম্বন করে এই এলাকার যানজট নিরসন করা সম্ভব হয়েছে। এখন রামপুরা ব্রিজ থেকে বনশ্রী হয়ে ডেমরা পর্যন্ত যেতে চান তাহলে তার সর্বোচ্চ পৌণে ১ ঘণ্টা সময় লাগবে। অথচ আগে দুই ঘণ্টা সময় নিয়েও এই এলাকা অতিক্রম করা যেতো না।
রামপুরা ট্রাফিক জোনকে যানজটমুক্ত করতে যেসব উদ্যোগ নেয়া হয়েছে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো রামপুরা ব্রিজ ও ব্রিজ সংলগ্ন রাস্তার উভয়পাশ এবং রামপুরা-বনশ্রী সড়ক থেকে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ, রামপুরা ডিআইটি রোডে আলাদা রিং লেন তৈরি, হাতিরঝিল এলাকা কিশোর-তরুণদের উচ্চ গতিতে মোটরসাইকেল চালানো বন্ধ করা, ঢাকার প্রবেশ মুখ হিসেবে ব্যবহৃত ডেমরা স্টাফ কোয়ার্টার (চৌরাস্তা) হতে সকল ধরনের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ ও স্টাফ কোয়ার্টার এলাকায় যানবাহন চলাচলের জন্য আলাদা লেন তৈরি করা হয়েছে।
ডিএমপি’র ট্রাফিক বিভাগের উপ-কমিশনার (পূর্ব) মইনুল হাসান জানান, রামপুরা ট্রাফিক জোন বিভিন্ন সময় কার্যকরী উদ্যোগ গ্রহণের মাধ্যমে জনসেবা নিশ্চিত করেছে।
ডিএমপি’র ট্রাফিক বিভাগের যুগ্মকমিশনার মফিজ উদ্দিন আহম্মেদ বলেন, একজন ট্রাফিক জোনের সহকারী কমিশনারে অধীনে টিআই, সার্জেন্ট, টিএসআই, এটিএসআই, এএসআই ও কনস্টেবল পদমর্যাদার শতাধিক সদস্য কাজ করেন। এরাই সৃজনশীল মেধারবলে এই এলাকার যানজট নিরসন করতে সক্ষম হয়েছেন।
