গুলশানের ভাটারা এলাকায় নিজ কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হলো 'গুডনেইবারস বাংলাদেশ আইসিটি এডুকেশন প্রজেক্ট হস্তান্তর ও সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর' অনুষ্ঠান। রবিবার অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে কোরিয়া আর্ন্তজাতিক সহযোগী সংস্থার (কোইকা) অর্থায়নে প্রযুক্তি ভিত্তিক শিক্ষা প্রকল্পের তিন বছর মেয়াদ শেষ হলেও গুডনেইবারস বাংলাদশ এবং কোইকা যৌথভাবে বাংলাদেশের ৮ টি প্রকল্প এলাকার যুবকদের প্রযুক্তিগত উন্নয়ন এবং শিশু অধিকার প্রচারাভিযান চলমান রাখতে আবারও আগ্রহ প্রকাশ করেছে। এর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠান দুইটি স্থানীয় সেচ্ছাসেবী সংগঠন ও বিভিন্ন কো-অপারাটিভ সোসাইটি মাধ্যমে সকল কারিগরি সুবিধা প্রদানে আশ্বাস দিয়েছে।
সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠান গুড নেইবারস বাংলাদেশ এর গুলশান কার্যালয়ে আয়োজন করা হয়। বক্তারা প্রকল্পের বর্তমান অবস্থান এর উল্লেখযোগ্য বিষয় তুলে ধরেন যা প্রকল্পের আওতায় এ পর্যন্ত ৬ হাজার ৪৮৮ জন শিক্ষার্থী ট্যাবের মাধ্যমে শিশু অধিকার বিষয় জ্ঞান অর্জন করেছে এবং ২ হাজার ২৭০ জন যুবক সফলতার সঙ্গে কম্পিউটার প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করেছে। যাদের মধ্যে বর্তমানে ১১ জন প্রশিক্ষণার্থী বিভিন্ন পদমর্যাদায় চাকুরীরত আছেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কোইকা ডেপুটি কান্ট্রি ডিরেক্টর থে গিন কিম, বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন কোইকার কো-অর্ডিনেটর মিন শ জো, গুডনেইবারস বাংলাদেশের সভাপতি ও কান্ট্রি ডিরেক্টর মাঈনউদ্দিন মইনুল, আইসিটি এডুকেশন প্রজেক্টের ডিরেক্টর মিনহো কিম, গুলশান এফডিপির প্রকল্পের ব্যবস্থাপক কিলিয়ন কিশোর দাস, আইসিটি প্রকল্প ব্যবস্থাপক সবুর রাকসামসহ অন্যান্য কর্মীবৃন্দ।
আরও পড়ুন: কালীগঞ্জ উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শর্মিলা রোজারিও
অনুষ্ঠানে কোইকা ডেপুটি কান্ট্রি ডিরেক্টর থে গিন কিম বলেন, 'কোইকা-বাংলাদেশ সরকারী বিভিন্ন প্রকল্পে সহযোগিতার পাশাপাশি বাংলাদেশের সার্বিক উন্নয়নের জন্য এনজিও সেক্টরেও শিক্ষা, স্বাস্থ্য, আইসিটি, সুশাসনসহ আরও বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা করে যাচ্ছে। আমি বাংলাদেশকে একটি উন্নত সম্ভাবনার দেশ হিসেবে দেখি এবং সকলের সহযোগিতায় এ দেশ সমৃদ্ধ হোক এ কামনা করি'।
উন্নয়নের জন্য প্রযু্িক্ত শিক্ষার বিকল্প নাই বলে অনুষ্ঠানে উপস্থিত অন্যান্য বক্তারা উল্লেখ করেন। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন শিশু প্রতিনিধি ও বিভিন্ন মাধ্যমিক স্কুলের শিক্ষকবৃন্দ।
ইত্তেফাক/জেডএইচডি
