এগিয়ে গিয়েও হোঁচট খেল স্প্যানিশ জায়ান্ট রিয়াল মাদ্রিদ। তবে ড্র করা এক পয়েন্টেই তারা চিরপ্রতিদ্বন্দ্বি বার্সাকে ছাড়িয়ে উঠে গেছে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে। শনিবার রাতে লাস পালমাসের বিপক্ষে দুবার এগিয়ে গিয়েও শেষে ২-২ গোলে ড্র করে ফিরেছে রিয়াল।
টানা সর্বোচ্চ ম্যাচ জয়ের রেকর্ড গড়ার পর হঠাৎ যেন পথ হারিয়ে ফেলেছে ইউরোপের অন্যতম সফল দলটি।
এই ম্যাচের আগে স্পোর্টি গিজনের জালে গোল উৎসব করে শীর্ষস্থান দখল করেছিল বার্সেলোনা। ওই ম্যাচে ৫-০ তে জেতা বার্সেলোনার পয়েন্ট ১৩। শীর্ষে ফেরা রিয়ালের পয়েন্ট ১৪।
লিগে টানা ১৬ ম্যাচ জয়ের রেকর্ড গড়ার পর গত বুধবার ভিয়ারিয়ালের সঙ্গে ঘরের মাঠে ১-১ গোলে ড্র করেছিল জিদানের দল। এবার লাস পালমাসের সঙ্গেও ড্র।
এদিন প্রতিপক্ষের মাঠে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক খেলা রিয়াল বেশ কয়েকটি ভালো সুযোগ তৈরি করে।
৩৩তম মিনিটে প্রথম গোলের দেখা পায় রিয়াল। স্পেনের ডিফেন্ডার নাচো ফের্নানদেসের শট গোলরক্ষক ভারাস ঠেকিয়ে দিলেও বিপদমুক্ত করতে পারেননি। ফিরতি বল হেডে জালে জড়ান স্পেনের তরুণ মিডফিল্ডার মার্কো আসেনসিও।
এগিয়ে যাওয়ার স্বস্তি অবশ্য বেশিক্ষণ থাকেনি রিয়ালের। বাঁ দিক থেকে পালমাসের স্প্যানিশ মিডফিল্ডার মোমোর ক্রস রাফায়েল ভারানে হেডে ঠেকানোর চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু তার মাথা হয়ে বল পেয়ে যান ফাঁকায় দাঁড়ানো আরেক স্প্যানিশ মিডফিল্ডার তানা। ঠাণ্ডা মাথায় বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে গোলরক্ষক কিকো কাসিয়াকে পরাস্ত করেন তিনি।
দ্বিতীয়ার্ধের দ্বিতীয় মিনিটে রোনালদোর পাস পেয়ে ডি বক্সের বাইরে থেকে আচমকা জোরালো শট নেন গ্যারেথ বেল। ডান দিকে ঝাঁপিয়ে সেটা ঠেকান ভারাস।আক্রমণের ধার বাড়াতে ৬৪তম মিনিটে গোলদাতা মিডফিল্ডার আসেনসিওকে বসিয়ে স্ট্রাইকার করিম বেনজেমাকে নামান কোচ। আস্থার প্রতিদান দিতে দেরি করেননি ফরাসি তারকা। ৬৭তম মিনিটে রোনালদোর শট গোলরক্ষক ঠেকিয়ে দিলে ফিরতি বল জালে পাঠিয়ে দেন বেনজেমা।
৭২তম মিনিটে রোনালদোকে বসিয়ে স্প্যানিশ ফরোয়ার্ড লুকাস ভাসকেসকে নামান কোচ। বদলির সিদ্ধান্তে পর্তুগিজ তারকার চোখে-মুখে ছিল স্পষ্ট অসন্তুষ্টির ছাপ।
৮৫তম মিনিটে আবারও রিয়াল সমর্থকদের হতবাক করে দিয়ে সমতায় ফেরে পালমাস। আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড সার্জিও আরুজোর শট গোলরক্ষক কাসিয়া ঠেকালেও বিপদমুক্ত করতে পারেননি। গোলের মুখে চলে যাওয়া ফিরতি বল আলতো টোকায় ভিতরে ঠেলে দেন।
যোগ করা সময়ে ছয় গজ বক্সের মধ্যে ফাঁকায় বল পেয়েও বেনজেমা লক্ষভেদে ব্যর্থ হলে ড্র নিয়েই খুশি থাকতে হয় জিনেদিন জিদানকে।
ইত্তেফাক/এমএইচ
