স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, খুলনা শিপইয়ার্ড দেশের চাহিদা পূরণ করে ভবিষ্যতে বিদেশে জাহাজ রপ্তানি করবে। ইতোমধ্যে ৫টি যুদ্ধ জাহাজ নির্মাণ করে প্রতিষ্ঠানটি তার সক্ষমতা প্রমাণ করেছে।
রবিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে খুলনা শিপইয়ার্ডে কোস্টগার্ডের তিনটি ‘ইনশোর প্যাট্রোল ভেসেল ’ এর কিল- লেয়িং অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দেশের জাহাজ নির্মাণ শিল্পে ঐহিত্যবাহী নাম খুলনা শিপইয়ার্ড। আজ থেকে প্রায় দেড় দশক পূর্বে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যে দূরদৃষ্টি সম্পন্ন সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তা আজ বাস্তবে প্রতিফলিত হচ্ছে। ফলে প্রতিষ্ঠানটি স্বগৌরবে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে। এই প্রতিষ্ঠানটির ওপর লক্ষাধিক মানুষ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে নির্ভরশীল।
তিনি বলেন, জাহাজ নির্মাণ শিল্পে বাংলাদেশের অপার সম্ভাবনা রয়েছে। খুলনা শিপইয়ার্ড নব নব জাহাজ নির্মাণ করে শুধুমাত্র প্রতিষ্ঠানকেই সমৃদ্ধ করছে না, বরং জাতীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। প্রতিষ্ঠানটি মূল্যবান বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয়ের পাশাপাশি প্রতিশ্রুতিশীল জলযান নির্মাণ শিল্পে বাংলাদেশকে স্বাবলম্বী করতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখে চলেছে। জাহাজ তিনটি নির্মাণ সম্পন্ন হলে কোস্টগার্ড সমুদ্র উপকূলে আরো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে সক্ষম হবে। এভাবে উপকূলে চোরাচালান বন্ধ এবং দস্যুতা দমন করা সম্ভব হবে।
অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের মহাপরিচালক রিয়ার এডমিরাল আওরঙ্গজেব চৌধুরী। এর আগে স্বাগত বক্তৃতা করেন খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কমডোর কে কামরুল হাসান।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন নৌবাহিনীর সহকারী প্রধান (ম্যাটেরিয়াল) রিয়ার এডমিরাল এসএএমএ আবেদীন, সংসদ সদস্য মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মিজান, কেসিসির ভারপ্রাপ্ত মেয়র আনিছুর রহমান বিশ্বাস, র্যাবের মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদ, খুলনা বিভাগীয় কমিশনার মো. আব্দুস সামাদ, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. ফায়েক-উজ-জামান, খুলনা জেলা পরিষদের প্রশাসক শেখ হারুনূর রশিদ প্রমুখ।
ইত্তেফাক/ইউবি
