চৌমুহনীর ডাক পরিদর্শকের কার্যালয় ভেঙ্গে অর্ধেক পুকুরে

আপডেট : ০৩ অক্টোবর ২০১৬, ১৫:৩৪
নোয়াখালীর চৌমুহনী উপজেলায় ডাক পরিদর্শকের কার্যালয়টি ভেঙ্গে পড়েছে। যে কারণে গুরুত্বপূর্ণ রেকর্ডপত্র খোয়া যাওয়া আশঙ্কা রয়েছে। তাছাড়া বৃষ্টির পানি পড়ে জমির রেকর্ডপত্র নষ্ট হচ্ছে।
 
অভিযোগ রয়েছে. চৌমুহনীতে ডাক বিভাগের অনেক জমি থাকা সত্ত্বেও বহুতল ভবন নির্মাণ করা হচ্ছে না। এরই মধ্যে কিছু  বেদখল হয়েছে। বাকীগুলো দখলের পাঁয়তারা চলছে।
 
চৌমুহনীতে অবস্থিত ডাক পরিদর্শকের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, শহরের রেলস্টেশনের পশ্চিমে ডাক বিভাগের এক একর বিশ শতাংশ জমি রয়েছে। এই জমির কিয়দাংশে ডাকঘর (এলএসজি), ডাক পরিদর্শকের কার্যালয় ও ডাক বাছাই কেন্দ্র রয়েছে। ডাকঘর ও ডাক পরিদর্শকের কার্যালয় ৬০ বছর আগে নির্মিত হলেও ডাক বাছাই কেন্দ্র নির্মিত হয় গত শতাব্দীর আশির দশকের প্রথমার্ধে। ডাকঘর পাকা ভবন হলেও পরিদর্শকের কার্যালয় পুরাতন ভাঙ্গাচুরা টিনের ঘরে অবস্থিত। দক্ষিণ পাশের পুকুরের পাড় ভেঙ্গে পরিদর্শকের কার্যালয়ের অর্ধেক পানিতে পড়ে গেছে। যে অংশ দাফতরিক কাজ চলছে তাও ভাঙ্গা। বৃষ্টির সময় পানি পড়ে গুরুত্বপূর্ণ রেকর্ডপত্র নষ্ট হচ্ছে। তাছাড়া পুকুরে ভেঙ্গে পড়া অংশ দিয়ে যে কোনো সময় যে কেউ ঢুকে রেকর্ডপত্র নিয়ে যেতে পারে। ডাক পরিদর্শকের কার্যালয়ের অধীনে ৫৩টি শাখা অফিস, ১০টি সাব পোস্ট অফিস, ইউপিও-১, এলএসজি-১ ইডিএসও ছয়টি রয়েছে। সবগুলো অফিসের রেকর্ডপত্র সংরক্ষিত রয়েছে এ দফতরে।
 
ডাক পরিদর্শক আবদুর রহমান বলেন, ‘ডাকঘর, ডাক পরিদর্শকের কার্যালয় ও ডাকবাছাই কেন্দ্র নির্মাণে যে পরিমাণ জমি ব্যবহার হয়েছে এর বাহিরে অনেক জমি অব্যবহৃত রয়েছে। কিছু কিছু জমি জবর দখল হয়েছে। বাকিগুলোও দখলের পাঁয়তারা চলছে। এসব জমিতে যদি ডাক বিভাগ নিজস্ব বহুতল ভবন নির্মাণ করতে বরাদ্দ দেয় তাহলে বিভাগের বিপুল পরিমাণ আয় বাড়বে। এ ব্যাপারটি সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। তাছাড়া ডাক পরিদর্শকের কার্যালয় জরুরি ভিত্তিতে নির্মাণ না হলে যে কোনো সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।’
 
ইত্তেফাক/এএসএমইউ