কেন্দ্রীয় কচি-কাঁচার মেলা ৬০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামান যারা প্রথম থেকে কচি-কাঁচার মেলার সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন, তাদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানান। তিনি বলেন, আজ বিশেষ করে যাদের কথা মনে পড়ছে, তারা হচ্ছেন, বেগম সুফিয়া কামাল , ড. আল মুতি শরফুদ্দিন এবং রোকনুজ্জামান খান দাদাভাই। আমাদের দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা শিশু-কিশোরদের সুপ্ত প্রতিভা লালনের জায়গা নেই, সেই কাজটি করছে কচি-কাঁচার মেলা। এখানে ছেলে মেয়েরা নৃত্য পরিবেশন করেছে, সাহিত্যকর্ম করেছে, চিত্রাঙ্কন করেছে। আমরা জানি যে এখানকার অনেকে আন্তর্জাতিক পুরস্কার অর্জন করেছে। এটা আমাদের গর্বের।
দাদাভাই গর্ব করে বলতেন, কচি-কাঁচার মেলার অনেকে মুক্তিযোদ্ধা হয়েছেন, কিন্তু কেউ রাজাকার হয়নি। আমরা আশা করি এই মেলার ছেলে মেয়েরা এই দেশকে ভালোবাসবে সংস্কৃতিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। এই মেলার ছেলে-মেয়েরা কেউ কখনো জঙ্গিবাদী হবে না, সাম্প্রদায়িক হবে না। এটা শুধু আশা না আমাদের প্রত্যাশা।
গতকাল বিকালে প্রতিষ্ঠাবাষির্কী উদযাপন উপলক্ষে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে সম্মানিত আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন, মেলার ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ড. এটিএম শামসুল হুদা, ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য ডিডি ঘোষাল, মেলার সহসভাপতি দিল মনোয়ারা মনু, অধ্যাপক কাহী মদিনা, আসমা আব্বাসী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নিশাত শারমিন নিশি এবং শিশু বক্তা দিবা। অনুষ্ঠানে মেলার সুরবিতান ও নিত্য বিতানের বোনেরা নৃত্যপরিবেশন করে।
ইত্তেফাক/এএন
