বাংলাদেশে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) রাষ্ট্রদূত পিয়েরে মায়াদুন বলেছেন, গত জুলাইয়ে গুলশান হামলার পর নিরাপত্তা নিশ্চিতে সর্বাত্মক ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। গুলশানের নিরাপত্তা পরিস্থিতির অনেক উন্নতি হয়েছে। কিন্তু শুধু গুলশান নয় দেশের সকল মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিতে আরো পদক্ষেপ গ্রহণ করা দরকার। তবে এজন্য কিছুটা সময় লাগবে।
বৃহস্পতিবার ঢাকায় বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ (বিআইআইএসএস) মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এক কান্ট্রি লেকচার অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় তিনি ইইউ’র সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ক, ব্রেক্সিট সিদ্ধান্তের পর ইইউ’র অবস্থানসহ নানা বিষয়ে কথা বলেন।
বিআইআইএসএস-র চেয়ারম্যান মুন্সী ফয়েজ আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রতিষ্ঠানটির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল এ কে এম আব্দুর রহমান। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দূতাবাস ও আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধি, সাবেক রাষ্ট্রদূত, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা, গবেষক, শিক্ষাবিদ, অবসরপ্রাপ্ত সামরিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে উন্মুক্ত আলোচনা পর্বে বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন রাষ্ট্রদূত মায়াদুন।
এক প্রশ্নের জবাবে রাষ্ট্রদূত বলেন, ইইউ থেকে যুক্তরাজ্য (ব্রেক্সিট) বের হয়ে যাওয়ার পর ভিন্ন কোনো ব্যবস্থা না থাকলে বাংলাদেশ শুল্কমুক্ত সুবিধা নাও পেতে পারে। ভিন্ন ব্যবস্থা নিয়ে বাংলাদেশ চিন্তা-ভাবনা করছে এবং ভবিষ্যত্ বাণিজ্যিক ব্যবস্থা কি হবে সেটি নিয়ে আলোচনা চলছে। কারণ ইইউ বাজারে জার্মানির পরে যুক্তরাজ্যের সাথে বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সবচেয়ে বেশি।
রাষ্ট্রদূত বলেন, গত জুনে এক গণভোটে যুক্তরাজ্যের জনগণ ইইউ থেকে বের হয়ে যাবার পক্ষে রায় দেন। ব্রেক্সিটের স্বল্পমেয়াদী তেমন কোনো প্রভাব না পড়লেও দীর্ঘমেয়াদে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।
ইত্তেফাক/এএম।
