‘পালাবো না ঘটনা দেখে, কাউকে ফেলে যাব না বিপদে রেখে।’ এই শ্লোগানকে সামনে রেখে সিলেট সরকারি মহিলা কলেজের ছাত্রী খাদিজা বেগম নার্গিসের হত্যা চেষ্টাকারী বদরুল আলমের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়ে থুথু নিক্ষেপ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে মঙ্গলবার। বদরুলের ছবি সম্বলিত প্রতীকী দুটি ডাস্টবিন বানিয়ে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে আনা হলে ক্ষোভে ফেটে পড়েন উপস্থিত সাধারণ মানুষ। অনেকেই থুথু দিয়ে ঘৃণা জানানোর জন্য উদগ্রীব হয়ে পড়েন। গতকাল মঙ্গলবার সকালে সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে প্রতীকী ‘থুথুস্তম্ভ’ কর্মসূচির আয়োজন করে বাংলাদেশ মানবাধিকার সাংবাদিক কমিশন (বামাসাক)।
বামাসাক’র সভাপতি ফয়সল আহমদ বাবলুর সভাপতিত্বে ও সদস্য আহমেদ সেলিমের পরিচালনায় অনুষ্ঠানের শুরুতেই স্বাগত বক্তব্য দেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক শেখ আশরাফুল আলম নাসির। বক্তব্য রাখেন মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আসাদ উদ্দিন আহমদ, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলী আহমদ, ওয়ার্কার্স পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য কমরেড সিকান্দার আলী, সুজনের সভাপতি ফারুক মাহমুদ চৌধুরী, বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড এন্ড সার্ভিসেস ট্রাস্টের (ব্লাস্ট) কো-অর্ডিনেটর অ্যাডভোকেট ইরফানুজ্জামান চৌধুরী, সিলেট প্রেসক্লাবের সভাপতি ইকরামুল কবীর, প্রেসক্লাব ফাউন্ডেশনের সভাপতি আল আজাদ, সিসিক কাউন্সিলর রেবেকা বেগম রেণু, সিনিয়র সাংবাদিক মুকিত রহমানী, সিলেট জেলা প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি ওয়েছ খছরু, রোটারেক্ট সাউথ ইস্ট এশিয়ার প্রেসিডেন্ট অ্যাডভোকেট হোসাইন আহমদ শিপন প্রমুখ। সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত সমাজের সর্বস্তরের লোকজন প্রতীকী ডাস্টবিনে থুথু ফেলে বদরুলের অপকর্মের প্রতি ধিক্কার জানান।
এ সময় বক্তারা বলেন, বদরুল যে ঘটনা ঘটিয়েছে সেটি প্রতিহত করা যেত; যদি সে সময় সকলে ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিহত করার জন্য এগিয়ে যেত। বর্বর এ ঘটনা যাতে আর কোনো দিন না ঘটে সেজন্য এ ধরনের ঘটনা দেখে হাত-পা না গুটিয়ে বসে না থেকে প্রতিরোধ এবং প্রতিহত করার আহবান জানানো হয়।
বক্তারা বলেন, সমাজে অপরাধীর সংখ্যা খুবই নগণ্য। প্রতিবাদী কয়েকটি কণ্ঠ এগিয়ে আসলেই এ ধরনের ঘটনা প্রতিহত করা সম্ভব।
ইত্তেফাক/এএন
