প্রচণ্ড যন্ত্রণায় কাতরাতে থাকা রোগীকে প্রথমে ভর্তিই করতে চাইলো না হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। পরে ভর্তি করতে সম্মত হলেও এক ডাক্তার এই নির্দেশ দিলেন, 'লোকটাকে পরে মেরে ফেল, প্রথমে ভর্তি করো। আর পরিস্থিতি এমন করো যাতে তার আত্মীয়রা দ্রুত হাসপাতাল ছাড়ে।' ঘটনা ভারতের আগ্রার এসএন মেডিক্যাল কলেজের।
বছর আঠারোর মুকেশ প্রজাপতি টিবিতে ভুগছিলেন। পেটে প্রচণ্ড যন্ত্রণা হওয়ায় তাকে ওই হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সে সময় তাকে ভর্তি নিতে চায় না মেডিকেল বিভাগ। দেওয়ালে সার্জারি বিভাগের প্রধানের নম্বর দেখে মুকেশের ফোন থেকেই ওই চিকিৎসককে ফোন করেন তার বাবা। কিছুক্ষণ পর অবশ্য মুকেশের মৃত্যু হয়।
এরপর ফোনের রেকর্ডিং শুনতে গেলেই তলের বেড়াল বেরিয়ে আসে। চিকিৎসকদের অজান্তেই ফোন রেকর্ড করেছিলেন মুকেশের বাবা। পরে শুনে দেখেন ওই সিনিয়র চিকিৎসক তার জুনিয়রকে নির্দেশ দিচ্ছেন, রোগীকে ভর্তি করে নেওয়ার। তারপর রোগীকে মেরে ফেলার কথাও বলছেন তিনি।
বলছেন, রোগীর পরিবারকে রক্ত আনতে বলার কথা, যাতে আপনিই তারা হাসপাতাল ছাড়তে বাধ্য হয়।
এই ফোন রেকর্ডিং নিয়েই পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছে মুকেশের পরিবার। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ সংশ্লিষ্ট কলেজে চিঠিও পাঠিয়েছে। রিপোর্ট পেলেই পরবর্তী পদক্ষেপ করা হবে বলে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
ইত্তেফাক/এএম
