ভূমিকম্প ও বজ্রপাতে ক্ষতি কমাতে সচেতনতা বৃদ্ধির আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

আপডেট : ১২ অক্টোবর ২০১৬, ২০:২৭
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভূমিকম্প ও বজ্রপাতে জানমালের ক্ষতি কমাতে ঝুঁকি হ্রাসের কৌশল বিষয়ে জনসাধারণের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধির আহ্বান জানিয়েছেন।
 
তিনি বলেন, 'বন্যা ও ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলায় বাংলাদেশ বিশ্বে রোল মডেল হিসেবে বিবেচিত। ভূমিকম্পের ঝুঁকি মোকাবেলায় বিল্ডিং কোড মেনে ভবন নির্মাণের ব্যবস্থা নিতে হবে।'
 
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৩ অক্টোবর 'আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস' উপলক্ষে বুধবার এক বাণীতে এ আহ্বান জানান।
 
প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষের কাছে দুর্যোগের কারণ এবং বাঁচার উপায় বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি দুর্যোগ মোকাবেলায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়, সরকারি, বেসরকারি সংস্থাসহ সর্বস্তরের জনগণকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
 
সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালে দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস কার্যক্রম শুরু করেন এ কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, 'উপকূলীয় জনসাধারণের দুর্যোগ ঝুঁকি বিবেচনা করে তিনি ১৯৭৩ সালের ১ জুলাই নতুন আঙ্গিকে ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচি (সিপিপি) প্রতিষ্ঠা করেন। তার হাতে গড়া সিপিপি আজ সারাবিশ্বে সমাদৃত।'
 
আওয়ামী লীগ সরকার কাঠামোগত ও অবকাঠামোগত দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস কার্যক্রমে সফলতা অর্জন করেছে বলে অভিমত ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'আমরা অবকাঠামোগত দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাসের লক্ষ্যে সাইক্লোন শেল্টার, বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র ও ব্রিজ-কালভার্ট নির্মাণ করেছি। ভূমিকম্প মোকাবেলায় জরুরি উদ্ধার তৎপরতা পরিচালনার জন্য সরঞ্জামাদি ক্রয় করে আর্মড ফোর্সেস ডিভিশন এবং ফায়ার সার্ভিস ডিফেন্সকে হস্তান্তর করেছি।'
 
তিনি বলেন, 'বিশ্বের অন্যান্য দেশের মত বাংলাদেশেও ১৩ অক্টোবর ২০১৬ 'আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস' পালন করা হচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত। আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস ২০১৬-এর এবারের প্রতিপাদ্য 'দুর্যোগ ঝুঁকি কমাতে হলে, কৌশলসমূহ বলতে হবে' অত্যন্ত সময়োপযোগী হয়েছে বলে আমি মনে করি।'
 
'আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস ২০১৬' এর সার্বিক সাফল্যও তিনি কামনা করেন। -বাসস।
 
ইত্তেফাক/এসএস