তারেকসহ আট আসামি

সাব্বির হত্যা মামলার বিচার কার্যক্রম চলার রায় প্রকাশ

আপডেট : ১৩ অক্টোবর ২০১৬, ২১:০৬
বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ আটজনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা ধামাচাপা দিতে ঘুষ লেনদেনের অভিযোগে করা মামলার বিচার কার্যক্রম চলবে মর্মে হাইকোর্টের দেয়া রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশ পেয়েছে। রায়ে বলা হয়েছে, এই মামলায় অপরাধের প্রাথমিক উপাদান রয়েছে। তবে সেটি সত্য বা মিথ্যা কিনা তা সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে বিচারিক আদালতকে নিষ্পত্তি করতে হবে। 
 
বৃহস্পতিবার রায়ের এ অনুলিপি প্রকাশ পায়। প্রকাশিত রায়টি ১৮ পৃষ্ঠার। রায়ে বলা হয়েছে, মামলায় যেসব আসামি জামিনে রয়েছেন তারা জামিনে থাকবেন। তবে জামিনের অপব্যবহার হলে তা বাতিলের ক্ষমতা বিচারিক আদালতের রয়েছে। এ প্রসঙ্গে দুদক কৌসুলি খুরশীদ আলম খান ইত্তেফাককে বলেন, রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি পেয়েছি। মামলাটি বর্তমানে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৩ এ বিচারাধীন রয়েছে। রায়ের অনুলিপি ওই আদালতে পৌছার পরেই মামলার পরবর্তী বিচার কার্যক্রম শুরু হবে। 
 
২০০৬ সালের ৪ জুলাই বসুন্ধরা গ্রুপের পরিচালক সাব্বির খুন হন। এই হত্যাকান্ডের ঘটনায় যাতে মামলা না হয় সেজন্য ২১ কোটি টাকা ঘুষ লেনদেনের অভিযোগে ২০০৭ সালের ৪ অক্টোবর দুদকের উপ-পরিচালক আবুল কাসেম রমনা থানায় ছয় জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। ২০০৮ সালের ২৩ এপ্রিল তারেক রহমানসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে দুদক। পরে সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে জাতীয় সংসদ ভবনে স্থাপিত বিশেষ জজ আদালত ২০০৮ সালের ১৪ জুলাই আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে। পরে মামলা দায়ের ও অভিযোগ গঠনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে আবেদন করেন তারেক রহমান, সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, বসুন্ধরা গ্র“পের কর্মকর্তা আবু সুফিয়ান ও ব্যবসায়ী কাজী সালিমুল হক কামাল। তাদের পৃথক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ওই বছর হাইকোর্ট মামলার কার্যক্রম স্থগিতের পাশাপাশি রুল জারি করে। রুলে মামলাটি কেন বাতিল করা হবে না তা জানতে চাওয়া হয়। দীর্ঘ ৮ বছর পর গত জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসে হাইকোর্টে রুলের ওপর শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানি শেষে গত ১৬ মার্চ বিচারপতি মো. রুহুল কুদ্দুস ও বিচারপতি মাহমুদুল হকের ডিভিশন বেঞ্চ সকল রিট আবেদন খারিজ করে রায় দেন। 
 
 
 
 
ইত্তেফাক/এমআই