নওগাঁর জেলার ধামইরহাটে জাতীয় উদ্যান ‘আলতাদিঘী’ শালবন এলাকার থেকে মানুষের কংকাল উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার শিশুর কংকাল উদ্ধার করে ময়নাতদন্ত ও ডিএনএ পরীক্ষার জন্য নওগাঁয় প্রেরণ করেছে পুলিশ।
এদিকে ৮ দিন আগে অপহৃত হওয়া শিশু সাখাওয়াত হোসেনের (১৪) বলে দাবি করে তার বাবা আনোয়ার হোসেন। সাখাওয়াত হোসেন উপজেলার সদর ইউনিয়নের কোকিল মৌলভী পাড়ার আনোয়ার হোসেনের ছেলে ও হরিতকি ডাঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র। ধামইরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিকদার মশিউর রহমান জানান, গতকাল শনিবার সকালে উপজেলার আলাতাদিঘীর শালবন রাস্তার পার্শ্বে স্থানীয় লোকজন মানুষের মাথার খুলি, মেরুদণ্ড, শরীরের কিছু হাড়, পায়ের জুতো ও পরিত্যক্ত পোশাক দেখতে পান। পরে সংবাদ পেয়ে পুলিশ সেগুলো উদ্ধার করে।
মানুষের কংকাল উদ্ধার হওয়ার সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে সাখাওয়াতের বাবা গিয়ে পোশাক ও পায়ের জুতো দেখে তার ছেলের কংকাল বলে দাবি করেন। পারিবারিক ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ৮ অক্টোবর সকালে কোকিল মৌলভী পাড়া গ্রামের আবু মোত্তালেব (বুলবুল) এর ছেলে রবিউল ইসলাম অন্তর (১৬) সাখাওয়াতকে ডেকে নিয়ে যায়। সাখাওয়াতকে অনেক খোঁজাখুঁজির পর পাওয়া না গেলে তার বাবা আনোয়ার হোসেন বাদী হয়ে ধামইরহাট থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় বুলবুল, অন্তরসহ ৪জনকে আসামী করা হয়।
মামলার পর অন্তর ও বুলবুলকে গ্রেফতার করলেও শিশুটিকে উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ। ওসি সিকদার মশিউর রহমান আরো জানান, কংকালটি যে ওই অপহৃত শিশুর তা নিশ্চিত হওয়া যাবে ডিএনএ পরীক্ষার পর। এ ছাড়াও কিভাবে তাকে হত্যা করা হয়েছে তার কারণ জানা সম্ভব হবে। বিষয়টি গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখে হচ্ছে।
ইত্তেফাক/এসএসএ
