মাদারীপুরের রাজৈর থানার কদমবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বিধান বিশ্বাসের দায়িত্ব পালনের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে হাইকোর্ট।
একইসঙ্গে ঢাকার মুখ্য মহানগর আদালতে বিচারাধীন মানবপাচার মামলায় পলাতক আসামি বিধান বিশ্বাসকে কেন চেয়ারম্যান পদ থেকে অপসারণ করা হবে না' এই মর্মে রুলও জারি করা হয়েছে।
রবিবার বিচারপতি নাঈমা হায়দার ও বিচারপতি মো: সেলিমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট অবকাশকালীন বেঞ্চ ওই ইউনিয়নের এক ভোটারের আবেদনের প্রেক্ষিতে এই আদেশ দেন।
স্থানীয় সরকার সচিব, মাদারীপুরের জেলা প্রশাসক, রাজৈর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও চেয়ারম্যান বিধান বিশ্বাসকে আদালতের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট ইউসুফ হোসেন হুমায়ন,শ. ম রেজাউল করিম, এ বি এম সিদ্দিকুর রহমান খান ও রিয়াজুর রহমান খান।
বিধান বিশ্বাসের পদে থাকার বৈধতা চ্যালেঞ্জ ওই ইউনিয়নের ভোটার ও আওয়ামী লীগের প্রার্থী দীনেশ চন্দ্র বিশ্বাস হাইকোর্টে রিট দায়ের করে।
আদালতে আইনজীবীরা বলেন, '২০১৪ সালের ২২ মে ঢাকার মুখ্য মহানগর আদালত বিধান বিশ্বাসকে মানবপাচার মামলায় পলাতক ঘোষণা করেন।'
এই মামলাটি চলতি মাসের ২০ অক্টোবর সাক্ষ্যর জন্য ধার্য রয়েছে। বিধান বিশ্বাস তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা থাকার তথ্য গোপন করে অবৈধ ভাবে ইউপি নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করেন এবং নির্বাচিত হন। তাই বিধান বিশ্বাস ওই পদে থাকতে পারেন না। এরপর আদালতে বিধান বিশ্বাসের ইউপি চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালনের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেন।
এর আগে হাইকোর্টের আরেকটি বেঞ্চ সরকারি গাছ কাটা ও হাইকোর্টের এক বিচারপতির বিরুদ্ধে মানববন্ধন করায় তথ্য প্রযুক্তি আইনে দায়ের করা মামলায় বিধান বিশ্বাসকে ৭ দিনের মধ্যে গ্রেফতারের নির্দেশনা দিয়েছিল। কিন্তু হাইকোর্টের আদেশ এখন পর্যন্ত কার্যকর করা হয়নি বলে জানান সংশ্লিষ্ট আইনজীবী। -বাসস।
ইত্তেফাক/এসএস
