স্বাস্থ্য মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আহ্বানে সাড়া দিয়ে দেশবাসীর সামাজিক আন্দোলনে বাংলাদেশে জঙ্গিরা আপাতত পরাজিত হয়েছে। তবে তাদের বিরুদ্ধে এ আন্দোলন চালিয়ে যেতে হবে। জঙ্গিবাদ ও জঙ্গিসঙ্গীদের আশ্রয়-প্রশ্রয়দাতাদের রুখে দিতে ঐক্যবদ্ধ লড়াই অব্যাহত থাকবে। যারা জঙ্গিদের সমর্থন দিচ্ছেন, আগামী নির্বাচনে তারা আবারো পরাজিত হবে।
গতকাল মঙ্গলবার জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে জাসদ আয়োজিত ‘জঙ্গিবাদ নির্মূল ও জঙ্গিসঙ্গী বর্জন’ শীর্ষক সেমিনারে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়া প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জঙ্গিদের সমর্থন করে যাচ্ছেন। গুলশানের হামলার পর প্রধানমন্ত্রী যখন সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন, তখন খালেদা জিয়া নির্বাচন চেয়েছিলেন। এর মূল কারণ আওয়ামী লীগ ও ১৪ দলকে ঘায়েল করা। মোহাম্মদ নাসিম বলেন, ১৪ দলের ঐক্যঅটুট রাখতে হবে। কোনোভাবেই ১৪ দলের মধ্যে বিভক্তি আনা যাবে না।
জাসদ সভাপতি ও তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেন, খালেদা জিয়া ও তার দল বিএনপি যুদ্ধাপরাধী, পনের আগস্টের খুনিদের, একুশে আগস্টের খুনিদের, আগুন সন্ত্রাসীদের এবং জঙ্গিদের প্রধান পৃষ্ঠপোষক। এ পৃষ্ঠপোষকদের বিচার করতে আইন জরুরি হয়ে দাঁড়িয়েছে।
সেমিনারে আরো বক্তব্য রাখেন সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ বড়ুয়া, জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি মুহম্মদ শফিকুর রহমান, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আনোয়ার হোসেন, জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক আবেদ খান, নিরাপত্তা বিশ্লেষক মেজর জেনারেল (অব.) আব্দুর রশিদ, সেক্টর কমান্ডারস ফোরামের মহাসচিব হারুন হাবিব, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি গোলাম কুদ্দুছ, গণতন্ত্রী পার্টির সাধারণ সম্পাদক ডা. শাহাদাত হোসেন, জাতীয় পার্টির (জেপি) ভাইস চেয়ারম্যান আজিজ বাঙ্গাল, ন্যাপের সাধারণ সম্পাদক এনামুল হক প্রমুখ। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন জাসদ সাধারণ সম্পাদক শিরিন আখতার এমপি।
আগামী শিক্ষাবর্ষে কোনো বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজে আসন বাড়ানো হবে না
এমবিবিএস ও বিডিএস কোর্সে আগামী শিক্ষাবর্ষে কোনো বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজে আসন সংখ্যা বাড়ানো হবে না। ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষে অনুমোদিত আসন সংখ্যার অতিরিক্ত ভর্তিকৃত শিক্ষার্থীর নিবন্ধন বাতিল করা হবে। গতকাল সচিবালয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজ নীতিমালা সংক্রান্ত সভায় এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। স্বাস্থ্য মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী জাহিদ মালেক, স্বাস্থ্য সচিব সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ, বিএমএ মহাসচিব অধ্যাপক ডা. ইকবাল আর্সলান, বিএমডিসি’র সভাপতি অধ্যাপক ডা. শহীদুল্লাহ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিত্সা শিক্ষা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ডা. ইসমাইল খানসহ মন্ত্রণালয়, অধিদপ্তর এবং বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের ঊর্দ্ধতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
ইত্তেফাক/এএন
