ড. শোরকে নিয়ে সূচনা ফাউন্ডেশনের সেমিনার শুক্রবার

আপডেট : ২০ অক্টোবর ২০১৬, ১৮:০১
 
শুক্রবার প্রতিবন্ধী বিষয়ে বিশেষজ্ঞ ড. স্টিফেন শোরকে নিয়ে এক সেমিনারের আয়োজন করতে যাচ্ছে সূচনা ফাউন্ডেশন। নিজে প্রতিবন্ধী হওয়া সত্ত্বেও প্রতিবন্ধীদের নিয়ে কাজের জন্য বিশ্ব জুরে পরিচিত ড. শোর। সূচনা ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ধানমন্ডি ৩২ এ শুক্রবার সকাল ১১টা থেকে 'প্রিপেয়ারিং ফর এ সাকসেসফুল লাইফ উইথ অটিজম' শীর্ষক এক সেমিনারে আলোচনা করবেন ড. শোর। মোট দুটি সেশনে সেমিনারটির আয়োজন করা হয়েছে।
 
জানানো হয়, বাংলাদেশে প্রতিবন্ধীদের অভিভাবক, প্রতিবন্ধী, শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও সরকারের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সেমিনারে আলোচনা করবেন ড. স্টিফেন শোর। মূলত প্রতিবন্ধীরা কিভাবে মানসিকভাবে বিকাশ লাভ করে সমাজে ভাল অবস্থান পেতে পারে তা নিয়ে আলোচনা করবেন তিনি। সারা বিশ্বে তিনি প্রতিবন্ধী বিষয়ে বেশ কিছু গবেষণার জন্য আলোচিত।
 
সূচনা ফাউন্ডেশন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুল পরিচালিত প্রতিবন্ধী বিষয়ক একটি অলাভজনক পরামর্শ, গবেষণা ও সক্ষমতা তৈরি বিষয়ক সংগঠন। ২০১১ সালে গ্লোবাল অটিজম পাবলিক হেলথ ইনিশিয়েটিভে ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশনের (ডব্লিউএইচও) সঙ্গে একত্রে কাজ করেন সায়মা ওয়াজেদ পুতুল। ২০১২ সালে গ্লোবাল অটিজম বাংলাদেশ নিয়ে কাজ করেন তিনি। তার একান্ত প্রচেষ্টা, পরামর্শ ও সহযোগিতায় ২০১৩ সালে 'নিউরো ডেভলোপমেন্ট ডিজেবেলিটি প্রোটেকশন ট্রাস্ট অ্যাক্ট' প্রণয়ন করা হয়। সেই সঙ্গে ডব্লিউএইচও'র প্রতিবন্ধী বিষয়ক নিয়মগুলোও সন্নিবেশিত করা হয়। বাংলাদেশের জাতীয় নীতি নির্ধারণের ক্ষেত্রে ভিন্ন এক অবস্থান লাভ করে প্রতিবন্ধীরা।
 
বর্তমানে মানসিক স্বাস্থ্য, অটিজম এবং নিউরো ডেভলোপমেন্ট ডিসঅর্ডার (এনডিডি) বিষয়ে সরকার সহ প্রতিবন্ধীদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিভাগের নীতি নির্ধারণে সহায়তা করে যাচ্ছে এই প্রতিষ্ঠান।
 
ড. স্টিফেন শোর ব্যক্তিগত জীবনে ৪ বছর বয়স পর্যন্ত বাক প্রতিবন্ধী ছিলেন। এ সময় যথেষ্ট জ্ঞান না থাকায় ডাক্তাররা তাকে প্রতিবন্ধী হিসেবে নির্দিষ্ট ইনিস্টিটিউটে ভর্তির জন্য স্টিফেনের বাবা-মাকে বলেন। কিন্তু তারা এই পরামর্শ গ্রহণ করেনি। ফল হিসেবে পরিবার, বন্ধু ও শিক্ষকদের সহায়তায় এক সময় বোস্টন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডিগ্রি নিতে সক্ষম হন ড. স্টিফেন শোর।
 
ইত্তেফাক/আরএ