‘সিরিয়ার রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহার করেছিল সরকারি বাহিনী’

আপডেট : ২২ অক্টোবর ২০১৬, ১২:২৮
 
সিরিয়ার সেনাবাহিনী ২০১৫ সালের মার্চে মেনাস গ্রামে রাসায়নিক অস্ত্র নিয়ে আক্রমণ করেছিল। শুক্রবার এক বিবৃতিতে জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞরা এই দাবি করেছেন।
 
এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অভিযোগ তুললেও ২০১৫ সালের মার্চে ইদলিব প্রদেশের বিন্নিশ ও ২০১৪ সালের এপ্রিলে হামা প্রদেশের কফর জিতা এলাকায় রাসায়নিক হামলার জন্য দায়ীদের চিহ্নিত করতে পারেননি তারা। 
 
জাতিসংঘ নেতৃত্বাধীন জয়েন্ট ইনভেস্টিগেটিভ ম্যাকানিজম (জেআইএম) গত আগস্টে এক প্রতিবেদনে জানায়, সিরিয়ার সরকারি বাহিনী ২০১৪ ও ২০১৫ সালে কমপক্ষে দুইটি রাসায়নিক হামলা চালায় এবং আেএস যোদ্ধারা অস্ত্র হিসেবে মাস্টার্ড গ্যাস ব্যবহার করে।
 
জেআইএমের চলমান তদন্তে মোট নয়টি রাসায়নিক হামলার তথ্য উঠে এসেছে। এর মধ্যে তিনটি সিরিয়ার সরকার ও একটি আইএস করেছে বলে তদন্তে বেরিয়ে এসেছে।
 
জেআইএমের চতুর্থ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সিরিয়ার আরব আর্মড ফোর্সের হেলিকপ্টার থেকে একটি বোমা ফেলা হয়। বোমা থেকে বের হওয়া বিষাক্ত গ্যাসে জনগণের মারাত্মক ক্ষতি হওয়ার পর্যাপ্ত তথ্য প্রমাণ পাওয়া গেছে।
 
তদন্তকারীরা বলেছেন, হামলার সময় ক্লোরিন গ্যাস ব্যবহার করা হয়েছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে কফর জিতা ও বিন্নিশে রাসায়নিক হামলার জন্য দায়ী কে তা এখনও চিহ্নিত করা যায়নি। ফলে জেআইএমকে তাদের তদন্ত সম্পন্ন করতে আগামী ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত সময় দেয়া হয়েছে। 
 
ইত্তেফাক/এএসএস