সরকারি কর্মসম্পাদন ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

আপডেট : ২৩ অক্টোবর ২০১৬, ১৯:০৫
সরকারি কর্মকাণ্ডে স্বচ্ছতা ও দায়বদ্ধতা বৃদ্ধি, সম্পদের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিতকরণ এবং প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা উন্নয়নের লক্ষ্যে সরকার কর্তৃক কর্মসম্পাদন ব্যবস্থাপনা পদ্ধতির আওতায় বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি (এপিএ) এর উপর দিনব্যাপি প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হলো।
 
শনিবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এবং বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ের আয়োজনে এই কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
 
প্রশিক্ষণ কর্মশালার সমাপণী অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার হেলালুদ্দিন আহমেদ বলেন, সরকারি কর্মকাণ্ডে স্বচ্ছতা ও দায়বদ্ধতা বৃদ্ধি, সম্পদের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিতকরণ এবং প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা উন্নয়নের লক্ষ্যে সরকার কর্তৃক কর্মসম্পাদন ব্যবস্থাপনা পদ্ধতির আওতায় বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি প্রবর্তন করা হয়েছে। বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি (এপিএ) মূলত প্রধানমন্ত্রীর প্রতিনিধি হিসাবে মন্ত্রিপরিষদ সচিব এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রীর প্রতিনিধি হিসাবে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব/সচিবের মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি সমঝোতা দলিল।
 
এই চুক্তিতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কৌশলগত উদ্দেশ্যসমূহ, এ সকল কৌশলগত উদ্দেশ্য অর্জনের জন্য গৃহীত কার্যক্রম সমূহ এবং কার্যক্রমের ফলাফল পরিমাপের জন্য কর্মসম্পাদন সূচক ও লক্ষ্যমাত্রা সমূহ দেয়া আছে।
 
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সংস্কার অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. মহিউদ্দীন খান বলেন, সরকারের নীতি ও কর্মসূচি যথাযথ বাস্তবায়নের মাধ্যমে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জন এবং সরকারি কর্মকাণ্ডে দায়বদ্ধতা নিশ্চিতকরণের জন্য প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে ২০১৪-১৫ অর্থবছর থেকে মন্ত্রণালয়ের সাথে কর্মসম্পাদন চুক্তি স্বাক্ষরিত হচ্ছে। ২০১৫-১৬ অর্থবছর থেকে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সাথে মন্ত্রণালয়ের এপিএ চুক্তি স্বাক্ষর হচ্ছে। পাশাপাশি মন্ত্রণালয়ের সাথে অধীনস্ত দপ্তর/সংস্থা সমূহের কর্মসম্পাদন চুক্তি স্বাক্ষরিত হচ্ছে।
 
২০১৬-১৭ অর্থ বছরে মন্ত্রণালয় ও দপ্তর বা সংস্থা ছাড়াও বিভাগীয়, আঞ্চলিক এবং জেলাপর্যায়ের দপ্তরসমূহকে এপিএ চুক্তির আওতায় আনা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট অর্থবছর সমাপ্ত হওয়ার পর উল্লিখিত অর্থবছরের চুক্তিতে নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা সমূহের বিপরীতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের প্রকৃত অর্জন মূল্যায়ন করা হয়।
 
ইত্তেফাক/এমএইচ