ভবদহের জলাবদ্ধতা নিরসনে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে ভবদহ পানি নিষ্কাশন সংগ্রাম কমিটি। গতকাল বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন শেষে প্রধানমন্ত্রীর নিকট স্মারকলিপি প্রদান করেছে সংগঠনটি।
স্মারকলিপিতে জলাবদ্ধতা সমাধানে কয়েকটি সুপারিশ করা হয়েছে। সেগুলো হলো- জরুরি ভিত্তিতে ভবদহে আরো তিনটি স্কাভেটার কাজে লাগানো, অবিলম্বে আমডাঙ্গা খাল প্রশস্ত করে সোজাসুজি রাজাপুর খালের সঙ্গে সংযোগ দেওয়া, এ বছর মাঘী পূর্ণিমার আগেই বিল কপালিয়ায় টিআরএম প্রকল্প চালু করা, হরিহর ও ভদ্রা নদী সংস্কার করা, ক্ষেতমজুর, গরিব, ক্ষতিগ্রস্তদের খাদ্য নিরাপত্তা ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা।
এ সময় পাউবোর দুর্নীতি, অনিয়ম বন্ধ ও দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ, টেকা মুক্তেশ্বরী নদীর সঙ্গে উজানের ভৈরব মাথাভাঙ্গার সংযোগ প্রদান, জলাবদ্ধ মানুষের মিছিলের উপর হামলাকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণেরও দাবি জানানো হয়।
মানববন্ধনে সংহতি প্রকাশ করেন সংসদ সদস্য ফজলে হোসেন বাদশা ও মোস্তফা লুত্ফুল্লাহ। ভুক্তভোগী অঞ্চলের মানুষের এই প্রতিবাদী মানববন্ধনে একাত্মতা প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন ঢাকাস্থ ভবদহ জলাবদ্ধতা নিরসন সমন্বয় কমিটির আহ্বায়ক ও বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার বিশেষ প্রতিনিধি মধুসূদন মণ্ডল, সদস্য সচিব জাহিদুর রহমান মিলন, যুগ্ম সদস্য সচিব রাসেল পারভেজ।
মানববন্ধন ও সমাবেশ শেষে ফজলে হাসান বাদশা এমপির নেতৃত্বে ৫ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে বিভিন্ন দাবি সংবলিত একটি স্মারকলিপি পেশ করেন। প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের পিএস-টু ড. নমিতা হালদার এই স্মারকলিপি গ্রহণ করেন।
ভবদহ পানি নিষ্কাশন সংগ্রাম কমিটির আহ্বায়ক রঞ্জিত ভাওয়ালীর সভাপতিত্বে মানববন্ধনে আরো বক্তব্য রাখেন ভবদহ পানি নিষ্কাশন সংগ্রাম কমিটির প্রধান উপদেষ্টা ইকবাল কবির জাহিদ, প্রধান সমন্বয়কারী বৈকুণ্ঠ বিহারী রায়, সদস্য সচিব চৈতন্য পালসহ ভবদহের ভুক্তভোগীরা। উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন ধরে ভবদহ এলাকার মানুষ জলাবদ্ধ অবস্থায় রয়েছেন।
ইত্তেফাক/এএন
