নির্বাচন পদ্ধতির সমালোচনা

আপডেট : ০৮ নভেম্বর ২০১৬, ০১:৩১
পপুলার ভোট (জনগণের ভোট) কম পেয়েও কেউ প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হতে পারেন। সমালোচকদের মতে, এটা গণতন্ত্র সম্মত নয়। যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে ভোটদানের সংখ্যাও কম। ওবামাও এ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। দলীয় নির্বাচকরা জিতলেই আঁচ পাওয়া যায় কে হচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ১৮২৪ সাল থেকে এই পর্যন্ত চারজন পপুলার ভোটে হেরেও হোয়াইট হাউস দখল করেছেন। ওই বছর অ্যান্ড্রু জ্যাকসন ইলেক্টোরাল ভোট পান ৯৯টি। জন কুইন্স অ্যাডামস পেয়েছিলেন ৮৪টি। প্রেসিডেন্ট হতে প্রয়োজনীয় ১৩১ ভোট কেউই পাননি। অ্যাডামসের চেয়ে জ্যাকসন ৩৮ হাজার পপুলার ভোট বেশি পেয়েছিলেন। পরে সেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা প্রতিনিধি পরিষদে গড়ায়। সেখানে অ্যাডামসই প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। ১৮৭৬ সালে রুদারফোর্ড বি হেইজ মাত্র একটি ইলেক্টোরাল ভোট বেশি পান। প্রতিদ্বন্দ্বী স্যামুয়েল জে টিলডেন তার চেয়ে আড়াই লাখ পপুলার ভোট বেশি পেয়েছিলেন। প্রেসিডেন্ট হয়েছিলেন রুদারফোর্ড বি হেইজ। ১৮৮৮ সালে ২৩৩টি ইলেক্টোরাল ভোট পেয়ে  প্রেসিডেন্ট হন বেঞ্জামিন হ্যারিসন। প্রতিদ্বন্দ্বী গ্রোভার ক্লিভল্যান্ড পেয়েছিলেন ১৬৮টি। অথচ ক্লিভল্যান্ড হ্যারিসনের চেয়ে ৯০ হাজার পপুলার ভোট বেশি পেয়েছিলেন। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মধ্যে কেউ মাত্র ১৮টি অঙ্গরাজ্যে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হতে পারেন। বিপরীতে কেউ ৩২টিতে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েও হারতে পারেন। অনেকের মতে এটা অগ্রহণযোগ্য।

ইত্তেফাক/এএন