'অতৃপ্তির মধ্যেই বিদায় নিতে হচ্ছে বিজিবির ডিজিকে'

আপডেট : ০৮ নভেম্বর ২০১৬, ১৬:০৯
তিন কাজে বিজিবির সফলতা আসেনি। এই তিনটি কাজে অতৃপ্তির মধ্যেই বিজিবির ডিজিকে বিদায় নিতে হচ্ছে। এই তিনটি কাজ হলো- সীমান্তে হত্যার ঘটনায় শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনা, মাদকদ্রব্য সীমান্তে পাচার, একেবারে বন্ধ করে দেওয়া ও ফেলানি হত্যার কোনো বিচার না হওয়া।
 
আজ মঙ্গলবার দুপুরে বিজিবি সদর দপ্তরে শহীদ ক্যাপ্টেন আশরাফ হলে  এক প্রেস ব্রিফিংয়ে বিজিবির বিদায়ী ডিজি বর্তমানে লে. জেনারেল আজিজ আহমেদ এসব অতৃপ্তির কথা জানান। 
 
আগামী রবিবার থেকে নতুন ডিজির দায়ীত্ব নিচ্ছেন মেজর জেনারেল আবুল হোসেন। বর্তমান ডিজিকে লে. জেনারেল পদে পদোন্নতি দিয়ে সেনাবাহিনীর আর্মি ডক্ট্রিনাল এন্ড ট্রেনিং কমান্ডে (আরডক) নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
 
প্রেস ব্রিফিংয়ে বিজিবির বিদায়ী ডিজি বলেন, এই চার বছর মেয়াদকালে সৈনিকদের জন্য ৮০টি ফ্ল্যাট, ৪র্থ শ্রেণির কর্মচারীদের জন্য ৪৮টি ফ্ল্যাট, হাসপাতালের ওয়ার্ড বয়দের জন্য বিশটি ফ্ল্যাট ও শিক্ষকদের জন্য ১২ তলা ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। 
 
তিনি বলেন, বিজিবির খেতাব প্রাপ্ত ৪৮ জন মুক্তিযোদ্ধাকে বাড়ি নির্মাণ করে দেওয়া হয়েছে। ৫৩৯ কি.মি. অরক্ষিত সীমান্তের মধ্যে ৩৩২ কি.মি. বিওপি স্থাপন করা হয়েছে। সুন্দরবনের ৭২ কি.মি. এর মধ্যে ৪০ কি.মি. বিওপি স্থাপন করা হয়েছে। বিজিবিতে স্থাপন করা হয়েছে এয়ার উইং, নারী সদস্যদের রিক্রুট করা হয়েছে। চালু হয়েছে সীমান্ত ব্যাংক। মিয়ানমারের সঙ্গে সীমান্ত জটিলতা নিরসনে তাদের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করা হয়েছে।
 
তিনি আরো বলেন, চেষ্টা করেছেন সীমান্তে হত্যার ঘটনা শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনার চেষ্টা করেছেন। একটি সংস্থা কর্তৃক ভারতের  উচ্চ আদালতে আপিলের কারণে ফেলানি হত্যার বিচার আর হয় নি। বিরোধী দলের অবরোধ ও নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড প্রতিহত করতে বিজিবি সদস্যদের ভূমিকা ছিল অনেক বেশি। 
 
 
ইত্তেফাক/রিপোর্ট