‘বারমুডা ট্রায়াঙ্গেল’ রহস্যের সমাধান !

আপডেট : ১১ নভেম্বর ২০১৬, ১৩:২৫
বারমুডা ট্রায়াঙ্গেল রহস্য। এ রহস্যের কথা প্রকৃতির খোঁজখবর রাখা প্রায় প্রতিটি মানুষেরই শোনা। যেখানে বিমান ও জাহাজ উধাও হয়ে যায় বলে শোনা যায়। তবে বারমুডা ট্রায়াঙ্গেল প্রকৃতির এমন স্বভাব সম্পর্কে মানব-প্রকৃতি অজানা রয়েছে। আর অচেনারে না চিনতে পারলে তা-ই রহস্যর জালে ঘোরপাক খায়। সমাধান না হওয়া পর্যন্ত তা রহস্যের বেড়াজালেই আবদ্ধ থাকে। তবে কোনোকিছু সমাধানের আগে বিভিন্ন গবেষণা নিরীক্ষায় অনেক তত্ত্ব বেরিয়ে আসে। তেমন একটি তত্ত্বে বারমুডা ট্র্যাঙ্গেলের রহস্যের সমাধান হয়েছে বলে নতুন একটি গবেষণা দল দাবি করেছে। তবে এখনো এ তত্ত্বের স্বীকৃতি স্বরূপ পক্ষাবলম্বন করতে কাউকে দেখা যায়নি।IMG0
বিখ্যাত আবহাওয়াবিদ র‌্যান্ডি কারভ্যানি-সহ গবেষকদের একটি দলের দাবি, বারমুডা ট্র্যায়াঙ্গেল রহস্যের পিছনে ‘হেক্সাগোনাল ক্লাউড’ নামে এক ধরনের মেঘের উপস্থিতি রয়েছে। এই মেঘের আবহে উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরের বারমুডা দ্বীপে ২০ থেকে ৫৫ মাইল জুড়ে ঘণ্টায় ১৭০ মাইল গতিবেগের বায়ু তৈরি হয়। উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন এ বায়ুকে বলা হয় ‘এয়ার বোম্ব’। এই বায়ু প্রায় ৪৫ ফুট উচ্চতার ঝড় তৈরি করতে পারে। আর এতে করে  ট্র্যাঙ্গল দিয়ে যাওয়া জাহাজ বা বিমান উধাও হয়ে যায়।
 
উল্লেখ্য, আটলান্তিক মহাসাগরের প্রায় চার লক্ষ ৪০ হাজার মাইল এলাকাজুড়ে ছড়িয়ে রয়েছে রহস্যে ঘেরা  বারমুডা ট্রায়াঙ্গেল। এই রহস্যের জালে পড়ে ১০০ বছরে বেশ কিছু বিমান ও জাহাজ চিরতরে হারিয়ে গেছে বলে শোনা যায়। যেখানে অসংখ্য মানুষ নিখোঁজ হয়েছে। কিন্তু উধাও হয়ে সেসব কোথায় যায় এ ব্যাপারে বিজ্ঞানীরা অজ্ঞাত রয়েছে। এখন কোনো জাহাজ বা বিমান এই এলাকা দিয়ে চলাচল করেনা। রহস্য উন্মোচনে গবেষণা চলছে।
 
ইত্তেফাক/এএসএমইউ