গবেষণা: ত্বক ও অ্যাজমার রোগ ফুলে নিরাময়

আপডেট : ১২ নভেম্বর ২০১৬, ১৩:১৫
কলার শুকনো ফুল ত্বকের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে ব্যবহার করা যাবে। সম্প্রতি বিজ্ঞানীরা এ তথ্য জানিয়েছেন। খবর ডেকানক্রনিকালের।
 
ভারতের দি সর্দার ভল্লভভাই প্যাটেল ইউনির্ভাসিটি অব এগ্রিকালচার অ্যান্ড টেকনোলোজির একদল গবেষক ফুলের ওষুধি বৈশিষ্ট্যের গুণের উপর বিস্তর গবেষণা চালাচ্ছে। গবেষণায় তারা ভারতে সচরাচর পাওয়া যায় এমন বেশ কিছু ফুলে রোগ নিরাময় বৈশিষ্ট্যের গুণ খুঁজে পেয়েছেন।IMG0
 
ইউনিভার্সিটির প্রফেসর আর.এস সেঙ্গরের মতে, ফুলের রোগ নিরাময় বৈশিষ্ট্যের প্রাপ্ত গুণ চিকিৎসা সেবায় পরিবর্তন এনে নতুন পথ দেখায়। এতে করে চিকিৎসা সেবা সকল মানুষের দোরগোরায় পৌঁছে দেয়া যাবে।
 
প্রফেসর সেঙ্গর বলেন, সংক্রমণের অংশে কলার শুকনো ফুলের পেস্ট লাগিয়ে দিলে তৎক্ষণাৎ তা নিয়ন্ত্রণ করা যাবে। শরীর কোনো অংশ পুড়ে গেলে সেখানে লাগিয়ে দিলে দ্রুত উপশম পাওয়া যাবে। এবং ত্বকের সংক্রমণের বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে এই পেস্ট ব্যবহার করা যায়।IMG1
 
জবা ফুলের সিদ্ধ পানি তিলের তৈলের সঙ্গে মিশিয়ে মাথার ত্বকে ব্যবহার করলে চুল পড়া রোধে দারুণ কাজ করবে। এবং এই পেস্ট চুলের কন্ডিশনার হিসেবে ব্যবহার করা যায়।IMG3
 
এই গবেষক আরো বলেন, ডালিম গাছের ফুলের কুড়ির পেস্ট দাঁতের রক্ত ঝরা বন্ধ করতে ভালো কাজে দেয়। এই পেস্ট তৎক্ষণাৎ দাঁতের সমস্যা সমাধান করে।IMG2
 
গাদা ফুল নারিকেল তেলের সঙ্গে মিশিয়ে ব্যবহার করলে মাথার ত্বকের সংক্রমণ থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে। যদি মিছরির সঙ্গে খাওয়া যায় তাহলে অ্যাজমা এবং কফ থেকে নিরাময় লাভ করা যাবে।IMG4
 
গোলাপ ফুল মানবদেহ ঠাণ্ডা রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এ ফুলের পাপড়ির সঙ্গে অন্যান্য উপকরণ যোগ করে একটি ম্যাসেজিং টনিক প্রস্তুত করা হয় যেটাকে গবেষকরা স্বাস্থ্যসম্মত টনিক হেসিবে বিশ্বাস করে।
 
ইউনিভার্সিটির উদ্যানবিদ্যা বিভাগের গবেষকরা আরো কিছু ফুলের ওষুধি গুণ সনাক্ত করার চেষ্টা চালাচ্ছে।
 
ইত্তেফাক/এএসএমইউ