বিজেএমসিকে হারিয়ে শীর্ষে আবাহনী

আপডেট : ১৩ নভেম্বর ২০১৬, ১৯:২৫
বিজেএমসিকে ২-১ গোলে হারিয়ে শীর্ষে উঠে গেল ঢাকা আবাহনী লিমিটেড। রবিবার ময়মনসিংহের বীরমুক্তিযোদ্ধা রফিক উদ্দিন ভুইয়া স্টেডিয়ামে বিপিএল ফুটবলে নিজেদের ১৪তম ম্যাচে ২-১ গোলে টিম বিজেএমসিকে হারায় আকাশী-হলুদরা।
 
খেলার ৫৫ মিনিটে আবাহনী, ৬৪ মিনিটে পেনাল্টি থেকে টিম বিজেএমসি ও ৮২ মিনিটে আবারো গোল পায় আবাহনী।
 
প্রথমার্ধের ৩০ মিনিটে পাল্টে যায় খেলার চিত্র। শুরু হয় আক্রমণ পাল্টা আক্রমণ। ম্যাচের ৩৩ মিনিটেই এগিয়ে যেতে পারত মামুন মিয়ার দল। লি এন্ডো টাক বল নিয়ে যখন প্রতিপক্ষের বক্সের দিকে এগুচ্ছিল ঠিক তখনই ফাউল করে টিম বিজেএমসি। ফ্রি কিকে ডি-বক্সের সামন্য বাইরে থেকে ইনসুইং কিক নেয় লি এন্ডো টাক। বলটি ফিরিয়ে দেয় গোল রক্ষক। সামনে দাঁড়ানো হেমন্ত বল পেলেও নিশ্চিত গোল মিস করে আবাহনী। ৪২ মিনিটে ডান প্রান্ত দিয়ে মধ্য মাঠ থেকে বল নিয়ে ছুটে যায় জুয়েল রানা। ডি-বক্সের ভেতর থেকে কিক নিলেও আবারো ফিরিয়ে দেয় গোল রক্ষক। পাল্টা আক্রমণে আসে টিম বিজেএমসি। 
 
৪৩ মিনিটে ময়মনসিংহের ছেলে জিকুর কিক অল্পের জন্য মিস। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই চাপ সৃষ্টি করে আবাহনী। ৪৭ মিনিটে স্যামসন ইলিয়াসুর দূর্দান্ত এক ফ্রি কিক লুফে নেয় বিজেএমসি’র গোল রক্ষক পলাশ। ম্যাচের প্রথম গোল আসে ৫৫ মিনিটে। ১-০ তে এগিয়ে আবাহনী। ৬৪ মিনিটে ডান প্রান্ত থেকে এলিটা কিংসলে থেকে জাকির হোসেন জিকু বক্সের ভেতর বল পায়। জিকুর ছোট্র পাস স্যাসান ইলিয়াসুর কাছে। বক্সের ভেতর থেকেই জোড়ালো শট। পোস্টের সামনে দাড়িয়ে থাকা মামুন মিয়ার হ্যান্ড হাতে বল লেগে ফিরে। প্যানাল্টি পায় বিজেএমসি। এতে সমতায় ফেরে বিজেএমসি।
 
উত্তেজনায় ঠাসা এ ম্যাচটিতে ৮২ মিনিটে আবারো গোল পায় সফল কোচ জর্জ কোটানের শিষ্যরা। কর্ণার থেকে লি এন্ডো টাকের দারণ শট। জুয়েল রানার হেড থেকে ওয়াহেদ বল ঢুকিয়ে দেয় বিজেমমসির জালে। এ জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে ঢাকা আবাহনী।
 
IMG0
 
সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা আবাহনীর কোচ জর্জ আলবার্ট কুটান পেনাল্টি নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে চাননি, তবে তিনি ষ্পষ্ট ভাষায় বলেছেন, ‘আই এম নট সিওর’ (তিনি পেনাল্টির ব্যাপারে নিশ্চিত নন)। আবাহনী কষ্টার্জিত জয় পেয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
 
 
এ ব্যাপারে বিজেএমসির কোচ এস এম জাকারিয়া বাবুর মত হলো, পেনাল্টি রেফারির সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। তবে তিনি মনে করেন খেলাটি ছিল খুবই উত্তেজনাপূর্ণ ছিল। জয় পেলে তার দল ঘুরে দাঁড়াতে পারতো। ৩ না পেলেও ১ পয়েন্ট পাওয়ার সুযোগ ছিল।
 
গোলের সুযোগ বেশি পাওয়া যায় না। দু’টি গোলের সুযোগ কাজে লাগাতে পারেনি জাকির হোসেন জিকু। এটা দুর্ভাগ্যজনক। 
 
ইত্তেফাক/এমএইচ