যুবলীগ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ওমর ফারুক চৌধুরী বলেছেন, নাসিরনগরের ঘটনা পরিকল্পিত। সরকারকে বিব্রত করার জন্য এ ঘটনা ঘটানো হয়।
শনিবার বিকাল ৩টার দিকে রিকাবী বাজার কবি কাজী নজরুল ইসলাম অডিটোরিয়ামে যুবলীগ সিলেট বিভাগীয় বিশেষ প্রতিনিধি সভায় তিনি এ কথা বলেন।
ওমর ফারুক চৌধুরী বলেন, সরকারকে বিব্রত করার আর কোন সুযোগ নাই। তাই সংখ্যালঘু এবং বিদেশি নাগরিকদের ওপর আক্রমন। মোট কথা সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করাই মূল উদ্দেশ্য।
যুবলীগ চেয়ারম্যান মোহম্মদ ওমর ফারুক চৌধুরী সংশ্লিষ্ট জেলা-উপজেলা, মহানগর, ইউনিয়ন-ওয়ার্ডে সভা করে প্রস্তুতি নিয়ে রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার সিলেটের জনসভাকে মহাসমাবেশে পরিনত করার জন্য নির্দেশ দেন।
সিলেট জেলা যুবলীগ ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শামীম আহম্মেদের সভাপত্বিতে এবং সিলেট মহানগর যুবলীগ আহ্বায়ক আলম খান মুক্তির পরিচালনায় আরো বক্তব্য রাখেন যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশীদ, প্রেসিডিয়াম সদস্য শহীদ সেরনিয়াবাত, ড. আহম্মেদ আল কবির, বেলাল হোসাইন, মো. জাকির হোসেন খাঁন, নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন এমপি, যুগ্ম সম্পাদক সুব্রত পাল, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক আতিক, মুহা. বদিউল আলম, সম্পাদক মণ্ডলীর সদস্য কাজী আনিসুর রহমান, মিজানুর রহমান মিজু, ড. সাজ্জাদ হায়দার লিটন, ঢাকা মহানগর উত্তর সভাপতি মাইনুল হোসেন খাঁন নিখিল, সুনামগঞ্জ জেলা যুবলীগ আহবায়ক খায়রুল হুদা চপল, সিলেট জেলা যুবলীগ ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক খন্দকার মহসিন কামরান, মৌলভীবাজার জেলা যুবলীগ সভাপতি ফজলুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক নাহিদ আহম্মেদ, হবিগঞ্জ জেলা যুবলীগ সভাপতি আতাউর রহমান সেলিম, সাধারণ সম্পাদক বোরহান উদ্দিন চৌধুরী, সিলেট মহানগর জেলা যুবলীগ যুগ্ম আহ্বায়ক সেলিম আহম্মেদ সেলিম, সাইফুর রহমান খোকন, আসাদুজ্জামান আসাদ, ঢাকা মহানগর দক্ষিন সহ সভাপতি মোরসালিন আহম্মেদ প্রমুখ।
ইত্তেফাক/ইউবি
