সৈয়দপুরের পাঁচটি ইউনিয়নসহ আশ-পাশের এলাকায় পুরোদমে আমন ধান কাটা ও মাড়াই শুরু হয়েছে। চলতি বছর ধানের ফলন ও হাট-বাজারে কিছুটা দাম পাওয়ায় কৃষকরা বেজায় খুশি। সেই সঙ্গে ধানের অভাবে বন্ধ হয়ে যাওয়া চাতাল কলগুলো আবার সচল হয়ে উঠেছে। এ কারণে বেকার নারী-পুরুষ শ্রমিকরা কর্মব্যস্ত দিন কাটাচ্ছেন। চাতালগুলোতে এখন ধান শুকানো ও ভাঙার কাজে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন এসব শ্রমিক।
উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ৫শ’র অধিক চালকল রয়েছে। এর মধ্যে কয়েকটি রয়েছে অটো রাইসমিল। এসব মিলে প্রায় ৫ হাজার নারী-পুরুষ শ্রমিক দিন-রাত কাজ করেন। অধিকাংশ মিল ও চাতাল ধানের অভাবে বন্ধ থাকার পর আমন ধান কাটা ও মাড়াইয়ের মৌসুমে আবারও সচল হয়েছে। চাতালগুলো নতুন ধান পাওয়ায় শ্রমিকের ব্যস্ততা ও আয় দুটোই বেড়েছে। ধান শুকানো ও ভাঙার পর মালিকরা তা বাজারজাত করছেন এবং কেউ কেউ মজুদ গড়ে তুলছেন চালের।
এদিকে মিল মালিকদের অভিযোগ, বিদ্যুতের ঘন ঘন লোডশেডিং ও লো ভোল্টেজের কারণে তারা নিয়মিত মিল সচল রাখতে পারছেন না। ফলে তাদের ক্ষতি হচ্ছে।
অপরদিকে ধান কাটা মাড়াই পুরোদমে শুরু হওয়ায় মিল চাতালে শ্রমিকের বেশি প্রয়োজন হওয়ায় উপজেলার সর্বত্র মজুর সংকট দেখা দিয়েছে। এ কারণে কৃষক ও মিল চাতাল মালিকদের কোনো কোনো ক্ষেত্রে বেশি অর্থ গুনতে হচ্ছে।
ইত্তেফাক/এএন
