ঝিনাইদহের কামান্না গণহত্যা দিবস ২৬ নভেম্বর

আপডেট : ২৫ নভেম্বর ২০১৬, ১৮:০৩
২৬ নভেম্বর (শনিবার) ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার কামান্না গণহত্যা দিবস। ১৯৭১ সালের এদিনে পাকহানাদার বাহিনী ও রাজাকার-আলবদর বাহিনী ২৭ জন বীর মুক্তিযোদ্ধাসহ ২৯ জনকে হত্যা করেছিল। 
 
গণহত্যা দিবস পালন উপলক্ষ্যে এলাকাবাসী বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।
 
শহীদদের স্মরণে একটি স্মৃতিসৌধ নির্মাণের দাবি করে আসছেন এলাকার মুক্তিযোদ্ধারা। দীর্ঘ ৪৫ বছর ধরে আশ্বাস মিললেও তাদের সে দাবি আজও পূরণ হয়নি বলে এলাকাবাসী জানান।
 
এলাকাবাসী জানায়, অবস্থানগত দিক দিয়ে সুবিধাজনক হওয়ায় মুক্তিযোদ্ধাগণ কামান্না গ্রামের মাধব ভুঁইয়ার বাড়িতে অস্থায়ী ক্যাম্প গড়ে তোলেন। ভারত থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে ৪২ জন মুক্তিযোদ্ধার এই দলটি নভেম্বর মাসের প্রথম দিকে এ ক্যাম্পে অবস্থান নেন।
 
মুক্তিযোদ্ধাদের বেশির ভাগের বাড়ি ছিল মাগুরার সদর উপজেলার হজিপুর এলাকায়। শৈলকুপার আলমগীর ও শ্রীপুরের আবু বকর ছিলেন তাদের কমান্ডার।
 
২৬ নভেম্বর ভোর রাতে পাক হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসর রাজাকাররা অতর্কিত আক্রমণ করে যাদের হত্যা করেন তাদের মধ্যে ছিলেন- মোমিন, কাদের, শহিদুল, সোলেমান, রাজ্জাক (১), ওয়াহেদ, রিয়াত, আলমগীর, মতলেব, আলি হোসন, শরিফুল, আনিছুর, আলিমুজ্জামান, তাজুল, মনিরুজ্জামান, মাছিম, রাজ্জাক (২), কাওছার, সালেক, আজিজ, আকবর, সেলিম, হোসেন, রাশেদ, গোলজার, অধীর ও গৌর। ওই সময় অন্যদের মধ্যে আরো শহীদ হন তাদের গাইড ফণি ভূষণ কুন্ডু ও রান্নার বুয়া রঙ্গবিবি। পরে তাদের কুমার নদীর তীরে ৫টি গণকবরে দাফন করা হয়েছিল বলে এলাকাবাসী জানান।-বাসস।
 
 
ইত্তেফাক/এমআই