কেরানীগঞ্জে শাখা খালগুলো দখল দূষণে ভরাট

আপডেট : ২৭ নভেম্বর ২০১৬, ০০:৪৮

কেরানীগঞ্জে খাল দূষণ ও দখলে ভরাট হয়ে যাচ্ছে। আর এই শাথা খালগুলো ভরাট করে গড়ে তোলা হয়েছে অবৈধ স্থাপনা। বিষয়টি দেখার কেউ নেই বলে অভিযোগ এলাকাবাসাীর। তবে অচিরেই দূষণ দখল থেকে মুক্ত হবে কেরানীগঞ্জবাসী এমনই আশ্বাস দিয়েছে প্রশাসন।

 
দখলের ফলে অনেক খালের পানি প্রবাহ বন্ধ হয়ে গেছে। এসব এলাকার কিছু খাল সম্পূর্ণ ভরাট করে ফেলেছে ভূমিদস্যুরা। আবার কিছু খাল অর্ধেক ভরাট করে রাস্তা তৈরি করা হয়েছে অপরিকল্পিতভাবে। বাকি খালগুলো ধীরে ধীরে দখলের পাঁয়তারা চলছে। বুড়িগঙ্গার এসব শাখা খাল বেশির ভাগই বয়ে গেছে কেরানীগঞ্জের ভিতর দিয়ে। সর্বত্র ভরাটের ফলে ঐতিহ্যবাহী কেরানীগঞ্জ মারাত্মক পরিবেশ দূষণের কবলে পড়েছে। খালগুলো এমনভাবে ভরাট করা হয়েছে বর্ষায় এসব খালের পানি উপচে পড়ে। আবার সামান্য বৃষ্টি হলেই দেখা দিচ্ছে জলাবদ্ধতা। সুষ্ঠু ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় সৃষ্ট জলবদ্ধতা থেকে পরিবেশ দূষণের শিকার হচ্ছে এলাকাবাসী।
 
এদিকে নদ-নদীর নাব্যতা রক্ষা ও গতিপ্রবাহ স্বাভাবিক রাখতে গঠিত জলবাযু পরিবর্তন ট্রাষ্টের সভায় শুভাঢ্যার খাল দখলমুক্ত করার জন্য অতি শিঘ্রই অভিযান চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড ও কেরানীগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন। জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট শুভাঢ্যার খাল খনন ও অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের জন্য ইতোমধ্যে ১০ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে। এ খনন কাজের টাকা বা কাজের যাবতীয় সহযোগিতা করেছেন বিদ্যুত্, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু।
 
কেরানীগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান শাহিন আহমেদ বলেন, প্রাথমিক তালিকা অনুযায়ী ডিসেম্বর মাসে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হবে। তিনি বলেন, শুভাঢ্যা খালের দুই তীরবর্তী স্থানে এখনও ৫২টি অবৈধ স্থাপনা রয়ে গেছে। অতি শিঘ্রই এ সমস্ত অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হবে।
 

ইত্তেফাক/এএন