গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে অধিগ্রহণ করা রংপুর চিনি কলের জমিতে রোপিত বাকি ১৫ একর জমির ধান আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে কেটে সাঁওতালদের বুঝিয়ে দিতে স্থানীয় প্রশাসন ও চিনি কল কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও বিচারপতি কৃষ্ণা দেবনাথের ডিভিশন বেঞ্চ গতকাল বুধবার এ আদেশ দেন।
এর আগে সাঁওতালদের নিরাপত্তায় কি আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে এবং উচ্ছেদের সময় ভাংচুর-লুটপাটের ঘটনায় কয়টি মামলা হয়েছে- এ বিষয়ে প্রশাসনের প্রতিবেদন দাখিল করা হয়। তাতে বলা হয়, পুলিশের সঙ্গে সাঁওতালদের সংঘর্ষের ঘটনায় ৭ নভেম্বর পুলিশের পক্ষ থেকে একটি অপমৃত্যুর মামলা করা হয়েছিল। পরবর্তীতে হত্যা, ঘর পোড়ানো, আহত করা, চুরির অভিযোগ এনে স্বপন মুরমু নামে একজন অজ্ঞাত পরিচয় পাঁচ-ছয়শকে আসামি করে আরেকটি মামলা দায়ের করা হয়। এর দশ দিন পর সাঁওতালরা আরেকটি মামলা করতে গেলে পুলিশ এজাহার হিসেবে না নিয়ে জিডি হিসাবে গ্রহণ করে স্বপন মুরমুর মামলার সঙ্গে তদন্ত করবে বলে জানায়।
এদিকে গাইবান্ধার ডিসি ও চিনিকল কর্তৃপক্ষের দাখিল করা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইতোমধ্যে ৩৪ একর জমির ধান কেটে সাঁওতালদের বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। বাকি ১৫ একর জমির ধান ‘অপরিপক্ব’ বলে কাটতে আরো কিছুটা সময় লাগবে। প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোতাহার হোসেন সাজু। রিটকারীর পক্ষে ছিলেন আইনজীবী এ এম আমিনউদ্দিন। শুনানি শেষে হাইকোর্ট উপরোক্ত আদেশ দেয়।
