৭ দফা দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা এফটিপিওর

আপডেট : ০৫ ডিসেম্বর ২০১৬, ০৯:৪২
বিজ্ঞাপন প্রচারে গ্রহণযোগ্য সময়সীমা নির্ধারণ ও নাটকের বাজেট যৌক্তিক হারে বৃদ্ধিসহ নতুন আরো ৭ দাবি জানিয়েছে ফেডারেশন অব টেলিভিশন প্রফেশনালস্ অর্গানাইজেশন (এফটিপিও)। গতকাল রবিববার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানান এফটিপিও নেতারা।
 
এফটিপিও’র আহ্বায়ক মামুনুর রশীদ বলেছেন, বিটিভি’র মহা-পরিচালককে প্রধান করে এফটিপিওর সদস্যদের নিয়ে একটি কমিটি করার ঘোষণা দিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী। ওই কমিটির কাছেই এই দাবিগুলো জানাচ্ছি। এগুলো আমাদের প্রাণের দাবি, যা খুবই সঙ্গতিপূর্ণ।
 
এফটিপিওর দাবির মধ্যে রয়েছে কপি রাইট প্রথা বহাল, যোগ্য ব্যক্তিদের নিয়ে প্রিভিউ কমিটি গঠন, বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে নির্ভুল টিআরপি ব্যবস্থা চালু, এফটিপিওকে সরকারি স্বীকৃতি দেয়া, ভারতে বাংলাদেশি চ্যানেল চালু ও দুই দেশে ডাউন লিংক ফি’র যে অসমতা রয়েছে তা অপসারণ করা।
 
গত ৩০ নভেম্বর ‘শিল্পে বাঁচি, শিল্প বাঁচাই’ স্লোগান নিয়ে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে এফটিপিও’র উদ্যোগে সমবেত হন টেলিভিশন শিল্পি ও কলাকুশলীরা।
 
ওই সমাবেশ থেকে ডাউন লিংক ফিড বা চ্যানেলের মাধ্যমে বিদেশি চ্যানেলে দেশীয় বিজ্ঞাপন প্রচার এবং দেশের বেসরকারি চ্যানেলে বাংলায় ডাবিং করা বিদেশি সিরিয়াল বন্ধসহ ৫ দফা দাবি জানানো হয়। সেইসঙ্গে বাকি তিনটি দাবির মধ্যে ছিল টেলিভিশন শিল্পের সর্বক্ষেত্রে এআইটি’র নূন্যতম হার পুনঃনির্ধারণ করা, এজেন্সির হস্তক্ষেপ ছাড়াই চ্যানেলের অনুষ্ঠান সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্বারা নিয়ন্ত্রণ করা এবং দেশের টেলিভিশন শিল্পে বিদেশি শিল্পী ও কলাকুশলীদের অবৈধভাবে কাজ করা বন্ধ করতে হবে। 
 
মামুনুর রশীদ বলেন, মিডিয়া ইউনিটি তাদের দাবি আদায় হয়েছে উল্লেখ করে আন্দোলন বন্ধ ঘোষণা করেছে। তবে আমদের প্রাণের দাবিগুলো আদায় হয়নি। তাই আমরা আন্দোলন চালিয়ে যাবো। দাবি বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।
 
সেইসঙ্গে বাংলায় ডাবিংকৃত বিদেশি সিরিয়াল বন্ধেরও দাবি করেন প্রবীণ নাট্যব্যক্তিত্ব  মামুনুর রশীদ।
 
ইত্তেফাক/এমএআর