গান দিয়ে সমাজ পাল্টাতে চান শিক্ষক লিটন

আপডেট : ০৫ ডিসেম্বর ২০১৬, ১৮:২৫
রিয়াজ লিটন, পেশার শুরু এনজিওতে। এরপর শিক্ষকতা, বর্তমানে ঢাকা মিশন হাই স্কুলের অধ্যক্ষ। দিনের শুরু হয় বাচ্চাদের কলকাকলিতে। শিশু-কিশোরদের পড়াশোনার পাশাপাশি সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডেও উদ্বুদ্ধ করেন সিরডাপ এর সাবেক এই কর্মকর্তা।
 
নিজেও শত ব্যস্ততার মাঝে করেন সংস্কৃতি চর্চা। ছোট থেকেই ভালোবাসতেন সঙ্গীত। হাজারো ব্যস্ততায় তাই গান নিয়েই পরে থাকেন অনেকটা সময়। তিনি বলেন, ‘ছোটবেলায় যখন কোনো হারমোনিয়াম, কিংবা বেহালা শুনতাম। তখন মনে হতো আমাকে যেন টানছে। সবসময়ই সুর ভালোবাসি, সেটা দেশি হোক কিংবা বিদেশি। গান সবসময়ই আপন।’
IMG0
ছোট থেকে গান ভালোবাসলেও কর্মজীবনের শুরু থেকেই তিনি একজন প্রশিক্ষক। ২০০৫ সালে সিরডাপের এডভোকেসি ট্রেনিংয়ের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। সেখানে এইচআইভি বিষয়ে সচেতনতা তৈরিতে প্রশিক্ষণ দিতেন।
 
এরপর যোগ দেন পুরোপুরি শিক্ষকতায়। ২০১১ সালে যোগ দেন আব্দুর রাজ্জাক স্কুল এন্ড কলেজে। এরপর ফিউচার কমার্স কলেজ হয়ে ঢাকা মিশনের অধ্যক্ষ হয়ে যোগদান।
 
সারাদিন পড়াশোনা-শিক্ষার্থী ও প্রশাসন নিয়ে থাকলেও গান ভুলে যাননি। এর মাঝেই বের করেছেন দুটি মিক্স অ্যালবাম। ২০১৫ সালে ঈগল থেকে বের হয় তার মিক্স অ্যালবাম স্মৃতির চশমা। এরপর আসে মিক্সড অ্যালবাম বকুল চাঁপা।
 
তিনি বলেন, সঙ্গীতকে বাংলাদেশে এখনো পুরোপুরি পেশা হিসেবে নেয়া সময় তৈরি হয়নি। কিন্তু নেশা হিসেবে গান থেকে গেছে।সেই ধারবাহিকতায় ৩১ ডিসেম্বর আসছে তার একক অ্যালবাম ‘একই শহরে’। লেজার ভিশনে ব্যানারে থেকে এই অ্যালবাম নিয়ে বেশ আশাবাদী লিটন।
 
তার প্রিয় শিল্পী সুবীর নন্দী ও সৈয়দ আব্দুল হাদী। সময় পেলেই তাদের গান শুনেন। এছাড়া লেখালেখির সঙ্গেও জড়িত রয়েছেন। এখন পর্যন্ত ৪টি গ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে তার। এছাড়া ছোটকাগজ আবহমানের সম্পাদনার কাজে নিয়োজিত ছিলেন দীর্ঘদিন। তার সম্পাদনায় ২০০১ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত এই ছোটকাগজ বের হয়।
 
কিন্তু তার মূল ভালোবাসার জায়গা গান। তার গানের হাতেখড়ি হয় বুলবুল ললিতকলা একাডেমি ও যশোর সুরবিতান। গান নিয়েই থাকতে চান সারাজীবন। গান দিয়ে এইডস, পরিস্কার পরিচ্ছন্নতার মতো বিষয়ে তৈরি করতে চান সচেতনতা।
 
ইত্তেফাক/এমএইচ