গণমাধ্যমের দাবি মারা গেছেন জয়ললিতা, হাসপাতালের অস্বীকৃতি

আপডেট : ০৫ ডিসেম্বর ২০১৬, ২০:৪৮
তামিলনাড়ুর জনপ্রিয় রাজনীতিবিদ জয়ললিতার মৃত্যু নিয়ে সংশয়পূর্ণ খবর প্রচারিত হচ্ছে। জনপ্রিয় এই রাজনীতিবিদের মৃত্যুর খবর স্থানীয় গণমাধ্যমে প্রচারিত হলেও হাসপাতাল থেকে সেই খবরকে ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দেয়া হয়েছে।
 
তামিল গণমাধ্যমের দাবি, না ফেরার দেশে চলে গেছে ভারতের তামিলনাড়ু অঙ্গরাজ্যের ছয় বারের নির্বাচিত মুখ্যমন্ত্রী জয়ললিতা মারা গেছেন। ভারতের ইতিহাসের সবচেয়ে ক্ষমতাধর রাজনীতিবিদদের মধ্যে অন্যতম জয়ললিতার মৃত্যুর সময় বয়স হয়েছিল ৬৮।
 
জয়ললিতার মৃত্যুর খবর সান টিভি, থান্তি টিভিসহ তিনটি দক্ষিণ ভারতীয় টিভি চ্যানেলে প্রচার করা হয়। একজন সাংবাদিক টুইটারে দেয়া পোস্টে বলেন, চেন্নাইয়ে পার্টির সদর দফতরের সামনে দলের পতাকা অর্ধনমিত করে রাখা হয়েছে। তবে জয়ললিতা জীবিত আছে বলেই দাবি করেছে অ্যাপোলো হাসপাতাল। হাসপাতালের পক্ষ থেকে বিবৃতিতে বলা হয়, লাইফ সাপোর্টে থাকা জয়ললিতার জন্য চিকিৎসকদের বড় একটি দল কাজ করে যাচ্ছে। কিছু টিভি চ্যানেল ভুল করে প্রচার করেছে যে মুখ্যমন্ত্রী না ফেরার দেশে চলে গেছেন। এই খবর সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। তাদেরকে এই প্রেস রিলিজের ভিত্তিতে খবর সংশোধনের পরামর্শ দেয়া হল। 
 
 
 এর আগে রবিবার বিকেল ৫টা নাগাদ হৃদরোগে আক্রান্ত হন ভারতের তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী জয়ললিতা। চেন্নাইয়ের বেসরকারি অ্যাপোলো হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে তাকে। নেত্রীর অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক বলেই জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।
 
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, জয়ললিতার চিকিৎসায় কার্ডিওলজিস্ট, পালমোনোলজিস্ট ও ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিট বিশেষজ্ঞদের নিয়ে একটি মেডিকেল টিম তৈরি করা হয়েছে। লন্ডন থেকে ডাঃ রিচার্ড বেলি নামের এক চিকিৎসকের পরামর্শে চলছে তার চিকিৎসা। বর্তমানে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে তাকে।
 
২২ সেপ্টেম্বর অ্যাপোলো হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন জয়ললিতাকে। বেশ কয়েকদিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন তিনি। তবে রবিবার হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার কয়েক ঘণ্টা আগেই দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়, নেত্রী সুস্থ হচ্ছেন। শিগগিরই বাড়ি ফিরবেন। জয়ললিতার অসুস্থতার খবর ছড়িয়ে পড়তেই হাসপাতালে ভিড় করেছেন তার সমর্থকরা। হিন্দুস্তান টাইমস।