সাপ নিয়ে আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে আশুগঞ্জের উপজেলা সদর দপ্তরসহ বিভিন্ন গ্রামের মানুষ। প্রতিনিয়িত বিভিন্ন জায়গায় বিষধর সাপ দেখতে পেয়ে সাধারণ মানুষের মনে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। এছাড়াও সাপের দংশনে উপজেলার খোলাপাড়া গ্রামে মামুন নামে এক কিশোরের মৃত্যু হয়েছে। চলতি বছরের গত ছয় মাসে এলাকাবাসী অর্ধশতাধিক সাপ মেরেছে আর সাপুড়ের হাতে ধরা পড়েছে ২৪টি বিষধর গোখরা সাপ।
উপজেলা প্রশাসন ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, শনিবার দুপুরে উপজেলা প্রশাসনিক ভবনের হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তার কার্যালয়ের পাশের সিঁড়ির নিচ থেকে একটি ও আড়াইসিধা গ্রামের একটি বসতবাড়ি থেকে পাঁচটি বিষধর গোখরা সাপ উদ্ধার করে সাপুড়ে। এ নিয়ে উপজেলা প্রশাসনিক ভবন ও বিভিন্ন গ্রাম থেকে সাপুড়ের মাধ্যমে মোট ২৪টি বিষধর গোখরা জীবিত উদ্ধার ও অর্ধশতাধিক বিষধর সাপ মেরেছে এলাকাবাসী। এতে উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে সাপ আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. তৌফিক আহমেদ খান জানান, উপজেলা প্রশাসনের অফিসার্স ক্লাবের পাশেই কিছু গর্ত রয়েছে। এসব গর্ত থেকে প্রায়ই সাপ উঠে আসে। সাপ আতঙ্কে রাতে উপজেলা প্রশাসনিক কার্যালয়ে ভয়ে যেতে পারি না। এছাড়াও বিভিন্ন সময়ে দিনের বেলায় সাপ সামনে দিয়ে চলাফেরা করতে থাকলে ভয় আরো বেড়ে যায়।
আশুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আমিরুল কায়ছার জানান, উপজেলা প্রশাসনিক ভবনের আশপাশে সাপ ধরার জন্য সাপুড়ের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি। ইতোমধ্যে একটি বড় বিষধর গোখরা সাপ জীবিত উদ্ধার করেছে। পর্যায়ক্রমে উপজেলা প্রশাসনের বাইরে থাকা সাপ ধরার জন্য চেষ্টা করা হবে।
ইত্তেফাক/এএন
