সংখ্যালঘুদের সম্পত্তি দখল বন্ধের দাবি

আপডেট : ০৯ ডিসেম্বর ২০১৬, ০৩:৫২

সারাদেশে উন্নয়নের নামে ধর্মীয়-জাতিগত সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর বাড়িঘর, জমি, শ্মশানভূমি, দেবোত্তর সম্পত্তি জবরদখলের ঘটনা বন্ধের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদসহ ৯টি ভূমি ও মানবাধিকার সংস্থার নেতৃবৃন্দ। তারা এ ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেন। গতকাল ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানানো হয়। সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খিষ্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট রাণা দাশগুপ্ত।

 
বক্তারা বলেন, আমরা দেশের উন্নয়ন চাই। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধের চেতনার পরিপন্থী ব্যক্তি ও গোষ্ঠীস্বার্থে যে জবরদখলের সংস্কৃতি চালু হয়েছে আমরা তার বিরোধী। চট্টগ্রাম-কক্সবাজার হাইওয়েতে পটিয়া বাইপাস সড়ক নির্মাণের নামে পটিয়া উপজেলার করল গ্রামের নাথপাড়া উচ্ছেদ কোনো ভাবেই কাম্য নয়।
 
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট সুলতানা কামাল, অর্পিত সম্পত্তি আইন প্রতিরোধ আন্দোলনের সভাপতি কামাল লোহানী, এলএলআরডি এর নির্বাহী পরিচালক শামসুল হুদা, স্থানীয় মহানানন্দ অবধূত সেবাশ্রম মন্দিরের অধ্যক্ষ মত্স্বামী সুভাষানন্দ অবধূত প্রমুখ।
 
সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগীরা ভূমি অধিগ্রহণের নামে তাদের সম্পত্তি ও উপসনালয় রক্ষায় সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করে কয়েক দফা দাবি জানান। সংখ্যালঘুদের ওপর চলমান সন্ত্রাসের নিন্দা জানিয়ে কামাল লোহানী বলেন, পাকিস্তান সরকারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছি। আমাদের অধিকারের প্রশ্নে এখন স্বাধীন বাংলাদেশেও যদি একই প্রশ্নের সম্মুখীন হই তবে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা কোথায়।

ইত্তেফাক/এএন