বলিউড অভিনেতা আমির খান, যাকে বলা হয় মিস্টার পারফেকশনিস্ট। এক জীবনে এই আমিরকে কতরুপে সিনেওয়াল্ডে দেখা গেছে ভাবতে পারেন! কখনও দাড়ি, কখনও গোঁফ, কখনো তরুণ, কখনো বুড়ো হয়ে হাজির হয়েছেন স্ক্রিনে। কখনো ফানি ক্যারেক্টার, আবার কখনো সিরিয়াস মুডের চরিত্রে আমরা তাকে পেয়েছি।
আমির যেন চরিত্রের সঙ্গে মিলে যেতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। চরিত্রকে সফল করতে যদিও কষ্টটা তাকেই নিতে হয়। আমিরের ব্যক্তিত্ব বলে, তিনি বেছে বেছে সিনেমায় কাজ করেন। অভিনয় করেন কাহিনী, নিজের মনের মতো, চরিত্র বুঝে সিনেমায় কাজ করতে রাজি হন। গেল পাঁচ-ছয় বছরের হিসেব করলে দেখা যাবে প্রতি বছর তার সিনেমা এসেছে, তবে একেকটি একেক রকমের চরিত্র নিয়ে।
গত বছর অভিনয় করেন পিকে’তে সেখানে তার লুক, অভিনয় ছিল এক রকম। আবার একটু পিছনে ফিরে তাকালে ‘গজনী’ সিনেমায় আমির প্রথমবারের মতো সিক্সপ্যাক নিয়ে হাজির হয়ে ব্যাপক প্রশংসা কুড়ান। একই ভাবে ‘দিল চাহ্তা হ্যাঁয়’, ‘রঙ দে বাসন্তী’, ‘তারে জমিন পার’, ‘তালাশ’, কিংবা ‘ফানা’সহ অধিকাংশ সিনেমায় আমিরকে দেখা গেছে ভিন্ন ভিন্ন লুকে।
IMG0
‘গজনী’র পরে মুক্তি পায় তার বহুল আলোচিত সিনেমা ‘থ্রি ইডিয়টস’, সেখানে আমির ভক্তরা তাকে পান একজন আনন্দোচ্ছ্বল তরুণ শিক্ষার্থী হিসেবে।
বর্তমান প্রসঙ্গে আসি, শিগগিরিই মুক্তি পাচ্ছে তার ‘দঙ্গল’ সিনেমা’। এখানে একেবারে স্থুলকার পৌড় হিসেবে দেখা যাচ্ছে আমির খানকে। এতো মোটা শরীর আর বয়স্কভার নিয়ে এর আগে তাকে আর দেখা যায় নি।
এসব বিষয়ে আমিরের সোজাসাপ্টা জবাব, পারফেকশনিস্ট না বলে, আমাকে মিস্টার প্যাশনেট বললেই আমি বরং খুশি হব’।
এখন দেখা যাক, যতদিন তিনি বলিউডে কাজ করবেন দর্শকের সামনে আরো কতরুপে হাজির হতে পারেন!
ইত্তেফাক/এমএআর
