চীনা নাগরিক চ্যাং হিং সং-এর লাশ হস্তান্তর আইনি প্রক্রিয়ায় থমকে আছে।
হত্যায় জড়িত থাকার দায় স্বীকার করে গ্রেফতার হওয়া দুজন আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন। আর এই দুজনকে আসামি করে পুলিশ বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় মামলা করেছে।
যশোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবু শহীদ মো. সারোয়ার শুক্রবার সন্ধ্যায় ইত্তেফাককে জানান, চীনা নাগরিকের লাশ গ্রহণের জন্য তার স্বজনরা আদালতে আবেদন করেছেন। আদালত আবেদনটি জেলা প্রশাসকের কাছে পাঠিয়েছে।
এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসক ড. মো. হুমায়ুন কবীরের মোবাইলে কল করা হলে তিনি রিসিভ করেননি। পুলিশ সুপারও ফোন রিসিভ করেননি।
এদিকে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় গ্রেফতার দুজন হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন। সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (আমলী সদর) বুলবুল ইসলাম ১৬৪ ধারায় তাদের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ড করেছেন। এতে তারা খুনের পরিকল্পনা ও ঘটনার বিবরণ দিয়েছেন।
এদিকে বৃহস্পতিবার রাতে উপশহর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই আব্দুর রহিম হাওলাদার বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় নাজমুল ও মুক্তাদিরকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।
প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টায় যশোর উপশহর মহিলা কলেজের পাশের একটি তিনতলা বাড়ির নিচতলা থেকে চীনা নাগরিক চ্যাং হিং সং-এর বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার করে করে। বুধবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে ওই গোডাউনে টাকার জন্য চ্যাং-এর সহকারী নাজমুল ও নাজমুলের ভাইপো মুক্তাদির লোহার রড দিয়ে মাথায় আঘাত ও পিটিয়ে তাকে হত্যা করে।
ইত্তেফাক/ইউবি
